শ্রীলঙ্কায় ‘উইকেটরক্ষক’ মিঠুনের জোড়া উইকেট

হাম্বানটোটায় শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দল ও বাংলাদেশ ‘এ’ দলের মধ্যকার প্রথম তিন দিনের ম্যাচটা যে ড্র হবে তা আঁচ করা গিয়েছিল আগের দিনই। মঙ্গলবার ম্যাচের ফল ড্র-ই হলো। তবে এই দিন বড় এক চমক দিয়েছেন মোহাম্মদ মিঠুন। মূলত উইকেটকিপার হলেও এদিন বল হাতে তুলে নেন। শুধু তাই নয় অফ স্পিন বোলিংয়ে জোড়া উইকেটও নিয়েছেন জাতীয় দলের এই তারকা।

জাতীয় দলে টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান হিসেবেই পরিচিত মিঠুন। মুশফিকুর রহিম নিয়মিত উইকেটের পেছনে দাঁড়ান। তাই লিটন দাস, মোহাম্মদ মিঠুন, নুরুল হাসান বা এনামুল হক বিজয়রা জেনুইন উইকেটরক্ষক হলেও এই ভূমিকায় দেখা যায় না। তবে অন্যদের মতো ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত উইকেটরক্ষক হিসেবে দেখা যায় মিঠুনকে।

শ্রীলঙ্কা সফরে বাংলাদেশ ‘এ’ দলে মিঠুন ছাড়াও রয়েছেন উইকেটরক্ষক নুরুল হাসান সোহান। উইকেটের পেছনে দাঁড়িয়েছেন সোহানই। জাতীয় দলের মতো তাই ফিল্ডিং পজিশনেই দাঁড়াতে হয়েছে মিঠুনকে।

তবে মিঠুন একপর্যায়ে হাতে তুলে নিলেন বল। ১৪ ওভার হাত ঘোরালেন। ৩৪ রান খরচায় শিকার করলেন ২ উইকেট। ৩টি মেডেন ওভারও দেন তিনি। প্রতিপক্ষের সবচেয়ে মূল্যবান উইকেটটা শিকার করেছেন মিঠুনই। সর্বোচ্চ ১৬৯ রান করা কামিন্দু মেন্ডিমসকে বোল্ড করে ফেরান। এ ছাড়া ১২ রান করা মনোজ শরতচন্দ্রকে ফেরান এলবিডব্লিউ করে।

প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে মিঠুন অবশ্য এর আগেও বল করেছেন। তবে সেরা বোলিংটা করলেন এদিনই। রেকর্ড বলছে এই ম্যাচ সহ ৯৪ ফার্স্ট ক্লাস ম্যাচে মিঠুন বল করেছেন ৭ ইনিংসে। মোট উইকেট হলো ৪টি। এর আগে ২০১১ সালে জাতীয় লিগে নিয়েছিলেন তাপস বৈশ্যর উইকেট। আর ২০১৪ সালে শিকার করেন শুভাগত হোমের উইকেট।

নিষ্প্রাণ ড্র হওয়া ম্যাচটায় বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে করা ৩৬০ রানের বিপরীতে শ্রীলঙ্কা তুলেছিল ৪৫০ রান। পরে বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামলে ১ ওভার পরই দিনের খেলা শেষ ঘোষণা করা হয়। দুই ওপেনার জহুরুল ইসলাম অমি ও সাদমান ইসলাম জুটি ১ যোগ করতে পেরেছিলেন স্কোরবোর্ডে।