জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী বাঁধন সরকার পূজা ও মডেল-অভিনেতা অর্ণব অন্তু দম্পতি পূজার কেনাকাটা নিয়ে তুমুল ব্যস্ত। এবারের পূজা কীভাবে কাটাবেন জানিয়েছেন ইফতেখার শুভকে। ছবি তুলেছেন শেখ সাদী
দুর্গাপূজার শেষ মুহূর্তের কেনাকাটা নিয়ে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন তারকা দম্পতি বাঁধন সরকার পূজা ও অর্ণব অন্তু। দুজনই পাল্লা দিয়ে উপহার কিনছেন যার যার শ্বশুরবাড়ির আত্মীয়-স্বজনের জন্য। তবে দুজন দুজনকে সারপ্রাইজ দেওয়ার সুযোগ একটুও হাতছাড়া করবেন । তাইতো চুপিসারে অন্তু জানালেন, পূজা শাড়িতে খুব একটা স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে না। তাই ওর জন্য আমার মনের মতো ডিজাইনের একটি পার্টি ড্রেস কিনেছি। পোশাকটির রং লাল ও সাদার মিশেলে। এখনো সেটা তাকে দেখাইনি। পূজায় চমকে দেব বলে। আমি জানি, ড্রেসটি ও খুব পছন্দ করবে। কারণ এই ধরনের ড্রেস পরেই ও পূজার অনুষ্ঠানে গান গায়।
একইভাবে ফিসফিসিয়ে পূজা বললেন, অন্তুকে আমি এরইমধ্যে একটি লাল রঙের পাঞ্জাবি ও স্লিপার কিনে দিয়েছি। কিন্তু ও ভাবতেই পারেনি আরেকটি পাঞ্জাবি তার জন্য কিনে রেখেছি। তাও আবার অন্তুর পছন্দের নীল রঙের। ওই পাঞ্জাবিটি উপহার দিয়েই ওকে চমকে দিতে চাই। আমি আশা করছি অন্তু নীল পাঞ্জাবিটি খুব পছন্দ করবে।’
পূজা কীভাবে কাটবে জানতে চাইলে কণ্ঠশিল্পী পূজা বলেন, ‘আমার তো গানের মধ্যেই পূজা কাটে। ঢাকার একাধিক পূজা মণ্ডপে গাইতে হয়। যেদিন যে মণ্ডপে গানের অনুষ্ঠান থাকে সেদিন সেই মণ্ডপের আশপাশের সব মন্দির চষে বেড়াই আমি আর অন্তু। যেদিন কোনো অনুষ্ঠান থাকে না সেদিন যাই নারায়ণগঞ্জে বেড়াতে।’
নারায়ণগঞ্জে কেন? জবাব দিলেন অন্তু, ‘নারায়ণগঞ্জে প্রায় আড়াই হাজার মণ্ডপে পূজা হয়। অনেক বেশি উৎসবমুখর পরিবেশ থাকে সেখানে। সারা বছর আমরা ওই পরিবেশটা উপভোগের জন্য মুখিয়ে থাকি। মূলত আমরা ঘুরতে খুব ভালোবাসি। তাই পূজোর কটা দিন তো বাসাতেই থাকি না। সারা দিন ঘোরাঘুরির মধ্যেই কেটে যায়। এবারও তাই হবে। এজন্য আমাদের বাসায় সেভাবে অতিথি আসে না। তবে দশমীতে অল্প দু-একজন অতিথি আসে বাসায়। আমরাও কাছের কিছু আত্মীয়-স্বজনের বাসায় যাই।’
খাওয়া-দাওয়া নিয়ে জানতে চাইলে পূজা বলেন, ‘দুর্গাপূজার ৬ষ্ঠী থেকে নবমী পর্যন্ত তো আমাদের নিরামিষ খাওয়ার নিয়ম। আমরা সেভাবেই খাওয়া-দাওয়া করি। ভাজা-পোড়া, মিষ্টি আইটেম খাই। তবে দশমীতে পেট পুরে পোলাও, বিরিয়ানি, মাংসের রেজালা খাওয়া হয়।’ সাজের ক্ষেত্রে পূজা সব সময় খুব ছিমছাম। পূজা বলেন, ‘যেহেতু প্রচুর ঘুরি, তাই ভারী সাজে অনেকক্ষণ থাকাটা কষ্টের মনে হয়। খুব ছিমছাম সাজ থাকে। একটি গর্জিয়াস ড্রেস কিনি। বাকিগুলো খুব আরামদায়ক হয়। উপহার দেওয়ার ক্ষেত্রেও এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে সবার জন্য কিনি।’