বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) বিভিন্ন হল থেকে অছাত্রদের (অবৈধদের) বের করে দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একইসঙ্গে শুরু হয়েছে বিভিন্ন হলে সিসিটিভি স্থাপনের কাজ। আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের পর শিক্ষার্থীদের দেওয়া দশ দফা দাবির অন্যতম ছিল এই দুইটি। গতকাল মঙ্গলবার সরজমিন দেখা যায়, বুয়েটের যে সাতটি হলে এতদিন যারা অবৈধভাবে থাকতেন তাদের অনেকেই হল ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। পাশাপাশি হলগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের কাজ করছে প্রশাসনের লোকজন।
এ বিষয়ে আহসানউল্লাহ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. শাহজাহান মন্ডল দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘এতদিন আমার হলের গ্রাউন্ড ফ্লোরে (নিচতলা) সিসিটিভি ছিল। গতকাল সেকেন্ড এবং থার্ড ফ্লোরে প্রায় ৩০টি সিসিটিভি লাগানো হয়েছে। এছাড়া অছাত্র ১২ জনকে বের করে দেওয়া হয়েছে। র্যাগ নিয়ন্ত্রণের জন্য ভিজিল্যান্স টিম আছে, সেগুলো কাজ করবে।’
শেরে বাংলা হলের সহকারী প্রাধ্যক্ষ দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘এই হল থেকে এখন পর্যন্ত ৭০ থেকে ৮০ জনকে বের করা হয়েছে। এখন আর কেউ নেই। সিসিটিভি পর্যাপ্ত আছে। নতুন করে লাগলে স্থাপন করব।’
হল ছেড়ে যাওয়া একজন জানান, তিনি বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী। অনেকদিন যাবৎ হলেই থাকছিলেন। এখন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে শ্রদ্ধা জানিয়েই চলে যাচ্ছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের এমন উদ্যোগে সন্তুষ্ট বর্তমান শিক্ষার্থীরা। তাদের একজন অনিক। তিনি বলেন, আমরা নিয়মিত ছাত্ররা হলে সিট পাই না, অথচ এরা বছরের পর বছর ক্ষমতার দাপটে হলে থেকেছে। তবে প্রশাসন নতুন যে উদ্যোগ নিয়েছে তাকে স্বাগত জানাই।