তারা চারজন এখন মুদিদোকানি। এখন থেকে আর ভিক্ষাবৃত্তি করতে হবে না ৭০ বছর বয়সী ফজলু হককে। ফজলু হকের সঙ্গে ভিক্ষাবৃত্তি থেকে মুক্তি পেলেন সিরাজুল হক, শ্রীমতী ছানাছানি ও হাসান আলী। তাদের বাড়ি দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলায়। তারা সবাই ভিক্ষাবৃত্তি করে জীবন ধারণ করে আসছিলেন।
ভিক্ষাবৃত্তি থেকে তাদের চিরতরে মুক্তি দিতে পুনবার্সনের ব্যবস্থা করে দিয়েছে পার্বতীপুর উপজেলা সমাজসেবা অফিস ও উপজেলা প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে ওই চারজনের মধ্যে ২৫ হাজার টাকা মূল্যের মুদিদোকান তুলে দেন পার্বতীপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হাফিজুল ইসলাম প্রামাণিক।
এ উপলক্ষে সমাজসেবা অফিসে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পার্বতীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শাহনাজ মিথুন মুন্নীর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আমিরুল মোমিনীন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রুকসানা বারী রুকু, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা তাপস রায় ও মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা রেবেকা সুলতানা।
উপজেলা সমাজসেবা অফিস সূত্রে জানা যায়, ভিক্ষুক পনুবার্সন ও বিকল্প কর্মসংস্থান শীর্ষক কর্মসূচির আওতায় এক জরিপ থেকে খুঁজে বের করে উপজেলার ১ হাজার ২৭০ জন ভিক্ষুকের মধ্যে ইতিমধ্যে ৭০০ জনকে পুনবার্সনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।