চারদিকে সবুজে ঘেরা, ভেতরে বিলাসী জীবনের সব আয়োজন, সঙ্গে স্বচ্ছ পানির লেক ছবিতে এ দৃশ্য দেখেই ক্রেতা-দর্শনার্থীদের চোখ আটকে যাচ্ছে রূপায়ণ সিটি উত্তরায়। কেউ খোঁজ নিচ্ছেন ফ্ল্যাট কেনার, কেউবা ডুপ্লেক্সের। ক্রেতাদের কারও কারও আগ্রহ অফিস টাওয়ার কিংবা শপিং মলের স্পেসে। এ দৃশ্য দেখা গেল গতকাল বৃহস্পতিবার থেকে ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) শুরু হওয়া রিয়েল এস্টেট এক্সপো-২০১৯-এর রূপায়ণ হাউজিং এস্টেটের স্টলে। এছাড়া বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় রূপায়ণের নির্মিত প্রথম কনডোমিনিয়াম ও লেক ক্যাসেলের রেডি ফ্ল্যাট, মতিঝিল থেকে ১০ মিনিট দূরত্বে সাইনবোর্ড মোড় সংলগ্ন নারায়ণগঞ্জে দেশের প্রথম ও পূর্ণাঙ্গ স্যাটেলাইট টাউনের রেডি ফ্ল্যাট কেনার আগ্রহ বেশি ক্রেতাদের।
আইসিসিবিতে ডি-৮ স্টল ঘুরে, ক্রেতা-দর্শনার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে আধুনিক নাগরিক জীবনের সব সুযোগ-সুবিধার নিশ্চয়তার জন্য সবার প্রথম পছন্দ রূপায়ণ সিটি উত্তরা। একই গেটের ভেতরে সবুজ ঘাসের খেলার মাঠ, অ্যাপার্টমেন্ট, ডুপ্লেক্স, প্যান্থহাউজ, সুইমিং পুল, ক্লাবঘর ছাড়াও থাকছে বিশ্বমানের শপিং মল, অফিস টাওয়ার, পাঁচ তারকা হোটেলসহ অত্যাধুনিক সব আয়োজন। ইট-পাথরের জঙ্গলখ্যাত ঢাকায় ৬৩ শতাংশ খালি জায়গা রেখে গড়ে উঠতে থাকা দেশের প্রথম ‘মেগা প্রিমিয়াম গেটেড কমিউনিটি’ রূপায়ণ সিটির অবস্থান বিমানবন্দরের কাছে ঢাকার উত্তরার ৩০০ ফুট চওড়া সোনারগাঁ জনপথ রোড ঘেঁষে, মেট্রোরেলের মূল স্টেশন থেকে হাঁটাপথের দূরত্বে।
সরকারের অবসরপ্রাপ্ত এক সচিব রূপায়ণ সিটি উত্তরার ডুপ্লেক্সগুলো সম্পর্কে খোঁজ নিচ্ছিলেন স্টলে। তিনি জানান, প্রকল্পটি দেখে মনে হয়েছে আধুনিক জীবনের সব সুবিধাই থাকছে এক গেটের ভেতরে। ৬৩ শতাংশ ফাঁকা জায়গা, দূষণমুক্ত পরিবেশ, বেসরকারি খাতে সবচেয়ে বড় জগিং ট্র্যাকসহ সব ধরনের সুবিধা রয়েছে। তাই এটিকে পছন্দের শীর্ষে রেখেছি।
রাজধানীর শনিরআখড়া এলাকায় ব্যবসা করেন এমন একজন ক্রেতা খোঁজ নিচ্ছিলেন স্যাটেলাইট টাউন নারায়ণগঞ্জের। এককালীন ৩৫ লাখ টাকা দিয়ে এখনই ফ্ল্যাটে ওঠার সুযোগ নিতে চান তিনি। ফারুক আহমেদ নামের ওই ব্যবসায়ী বলেন, পরিবারের সঙ্গে আলাপ করে সিদ্ধান্ত চ‚ড়ান্ত করবেন তিনি। ক্রেতাদের কেমন সাড়া পাচ্ছেন জানতে চাইলে রূপায়ণ হাউজিং এস্টেটের মহাব্যবস্থাপক (সেলস) মো. বেলায়েত হোসেন জানান, অ্যাপার্টমেন্ট কিংবা বাণিজ্যিক স্পেসের ক্ষেত্রে রূপায়ণ সিটি উত্তরা এখন দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রকল্প। তাই ক্রেতাদের আকর্ষণও এখানে বেশি। তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জে দেশের প্রথম স্যাটেলাইট টাউনে মাত্র ৩৫ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে এখনই চাবি নিয়ে ফ্ল্যাটে বসবাসের সুযোগ দিচ্ছে রূপায়ণ। স্যাটেলাইট টাউনে যেসব ফ্ল্যাট হস্তান্তর করেছি, সেখানে ৪৩৪টি দেশি ও ৩৫০টি বিদেশি পরিবার বাস করছে। বিদেশিদের বসবাস থেকেই এটি স্পষ্ট যে, এটি অনেক বেশি খোলামেলা ও আধুনিক প্রকল্প।
সিনিয়র এক্সিকিউটিভ (সেলস) মো. মুরাদ হোসেন বলেন, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় সত্যিকার অর্থে কনডোমিনিয়াম ও লেক ক্যাসেল সম্পূর্ণ রেডি অবস্থায় রয়েছে। সেখানে ১৪৬০ থেকে ৩৪৫৫ বর্গফুটের অ্যাপার্টমেন্ট রয়েছে। কনডোমিনিয়ামগুলোতে সুইমিং পুল, ব্যায়ামাগার, জগিং ট্র্যাক, খেলার মাঠ, মসজিদসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। এখানকার অ্যাপার্টমেন্টেও ক্রেতাদের চাহিদা বেশি। এছাড়া মিরপুর ডিওএইচএস, বাসাবো, সিদ্ধেশ্বরী, পল্টন, বাড্ডা ও বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় বিভিন্ন সাইজের অ্যাপার্টমেন্ট রয়েছে রূপায়ণ হাউজিংয়ের। আয়োজকরা জানান, আগামীকাল শনিবার পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এক্সপো সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।