ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক সালমান রুশদি লেখালেখির জন্য ঘুরে বেড়িয়েছেন পৃথিবীর নানা প্রান্তে। এ জন্য তাকে থাকতে হয়েছে বিভিন্ন ধরনের রেস্টুরেন্টে। বিশ্বনন্দিত ফ্যাশন ম্যাগাজিন ভোগের সঙ্গে আলাপকালে তিনি নিজের দেখা সেরা কয়েকটি রেস্টুরেন্টের বর্ণনা দিয়েছেন।
উত্তর ডেনমার্ক অঞ্চলকে রুশদি ‘সুন্দর স্থান’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। এখানে বিলাসবহুল ‘নোমা’ রেস্টুরেন্টে থাকার অভিজ্ঞতা আছে তার। বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে সেখানে গিয়ে দুই ঘণ্টার বিরতিতে অনেক ভিড় ঠেলে দুপুরের খাবার খান।
রুশদির ভাষায়, ‘একের পর এক খাবার আসছিল। আবার শেষ হয়ে যাচ্ছিল। এ যেন লা গ্র্যান্ড বুফে সিনেমার মতো। মরার জন্য মানুষ খেতে এসেছে!’
লন্ডনে গেলে ‘লে ক্যাপ্রিস’ কিংবা ‘চীনা টাংয়ে’ খেতে যান রুশদি। এই দুটির বাইরে ‘জিকোনি’ রেস্টুরেন্টের ভক্ত তিনি।
এই রেস্টুরেন্টের প্রধান শেফ রবীন্দ্র ভোগাল। তার মা-বাবা দুজন দুই অঞ্চলের। কেনিয়া-ইন্ডিয়ার। যার কারণে তার রান্নায় আলাদা একটি ফ্লেভার আসে। যাকে রুশদি বলছেন ‘ইন্ডিয়ান-আফ্রিকান’।
শেষবার ‘জিকোনি’তে গিয়ে ‘কুকু পাকা’ খেয়েছেন রুশদি। একে কেনিয়ার চিকেন কোকোনাট কারি বলা হয়। আলোচিত-সমালোচিত এই লেখকের এটিই এখন প্রিয় খাবার।
রুশদির পছন্দের খাবারের তালিকায় পেরুর স্কেয়ার্ড ভ্যালির মাশরুমও রয়েছে। ওক্সাপামা নামের এক প্রকার পনিরও তিনি খুব ভালোবাসেন।
রুশদি রোমে গেলে ‘ট্র্যাটোরিয়া আল মোরো’ রেস্টুরেন্টে খেতে যান। মুম্বাইয়ে আসলে তার প্রথম পছন্দ ‘তৃষ্ণা’ রেস্টুরেন্ট। এখানকার গোয়ান মাছের কারি তার পছন্দের।