টেকনাফে পুলিশ ও বিজিবির সঙ্গে পৃথক কথিত বন্দুকযুদ্ধে দুই যুবক নিহত হয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দাবি, নিহতরা মাদক কারবারি। গতকাল রবিবার ভোররাতে উপজেলা সদরের মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন মহেশখালীয়াপাড়া নৌকাঘাট ও হোয়াইক্যং ইউনিয়নের মদিনার জোড়া সংলগ্ন নাফ নদীর তীরে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেনÑ উপজেলার সদর ইউনিয়নের ডেইলপাড়া এলাকার ছালে আহমেদের ছেলে মো. আজিজ (২৩) ও হোয়াইক্যং কানজরপাড়ার রহিম উদ্দিন ওরফে রফিক (৩৭) ।
টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ জানান, গত শনিবার রাতে আজিজকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে নিয়ে মহেশখালীয়াপাড়া নৌকাঘাট এলাকায় অভিযানে গেলে তার সহযোগীরা গুলি চালায়। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি ছুড়ে। একপর্যায়ে সবাই পিছু হটলে গুলিবিদ্ধ আজিজকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, পরে সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি এলজি, সাত রাউন্ড কার্তুজ, তিন হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধারের কথা জানিয়ে ওসি বলেন, বন্দুকযুদ্ধে এসআই কামরুজ্জামান, এএসআই মিশকাত ও কনস্টেবল রুমেন দাস আহত হয়েছেন। আজিজের বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে।
এদিকে টেকনাফ-২ বিজিবি অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান জানান, মিয়ানমার থেকে একটি ইয়াবার চালান নাফ নদী হয়ে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের মদিনার জোড়া এলাকা দিয়ে প্রবেশ করছেÑ এমন সংবাদ পেয়ে বিজিবির একটি দল ওই এলাকায় অবস্থান নেয়। এ সময় বিজিবির সদস্যরা একটি নৌকা থামানোর সংকেত দিলে মাদক কারবারিরা গুলি চালায়। আত্মরক্ষার্থে বিজিবিও পাল্টা গুলি ছুড়ে। একপর্যায়ে গুলি চালিয়ে তারা নৌকা নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে গুলিবিদ্ধ রহিমকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠান। সেখানে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি দেশে তৈরি এলজি, তিন রাউন্ড কার্তুজ ও ৬০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।