নিজেকে রানির সমমর্যাদায় ভাবায় পদবি হারালেন থাই রাজার দেহরক্ষী

বিশ্বাসঘাতকতা এবং রাজতন্ত্রের প্রতি অসদাচরণ করার অভিযোগে এক নারী দেহরক্ষীর সব ধরনের পদবি কেড়ে নিয়েছেন থাইল্যান্ডের রাজা মহা ভাজিরালংকর্ন।

স্থানীয় সময় সোমবার রাতে রাজ কর্তৃপক্ষ বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

বিবিসি জানায়, কয়েক মাস আগে সিনিনাত ওংভাজিরাপাকদি নামের ওই নারীকে প্রায় ১০০ বছরের মধ্যে রাজ পরিবারের অভিজাত দেহরক্ষী হিসেবে নিয়োগ হয়।

রাজ পরিবার বিবৃতিতে জানায়,  সিনিনাত উচ্চাভিলাষী ছিলেন এবং নিজেকে রানির সমমর্যাদায় ভাবতে শুরু করেছিলেন। সভাসদদের জন্য নির্ধারিত আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন তিনি।

রাজার ৩৪ বছর বয়সী এই দেহরক্ষীর আচরণ রাজ পরিবারের জন্য অসম্মানজনক বলেও বিবৃতিতে জানানো হয়।

রাজা তার চতুর্থ স্ত্রী রানি সুথিদার সঙ্গে বিয়ের ঠিক দু'মাস পরে জুলাইয়ে তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।

বিবৃতিতে জানানো হয়, রানি সুথিদা ভাজিরালংকর্ন আয়ুধ্যার সমমর্যাদা দাবি করায় সম্প্রতি রাজকীয় উপাধি এবং সামরিক পদমর্যাদা পাওয়া এক নারী দেহরক্ষীর সব পদবি কেড়ে নিয়েছেন

সিনিনাত একজন মেজর জেনারেল ছিলেন এবং একজন প্রশিক্ষিত পাইলট, নার্স এবং দেহরক্ষী ছিলেন।

২০১৬ সালের অক্টোবরে মহা ভাজিরালংকর্নের বাবা রাজা ভুমিবল আদুলাদেজ মারা যান। ৭০ বছর ধরে তিনি থাই রাজ পরিবারের সিংহাসনে ছিলেন।

ভুমিবলের মৃত্যুর ৫০ দিন পর নতুন রাজা হিসেবে সেই সময়ের যুবরাজ মহা ভাজিরালংকর্নের নাম ঘোষণা করা হয়। এই বছরের মে মাসে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে সিংহাসনে আরোহণ করেন।

সিংহাসনে বসার কয়েক দিন আগে মহা ভাজিরালংকর্ন তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী বাহিনীর উপপ্রধান সুথিদাকে বিয়ে করেন। বিয়ের পরই স্ত্রীকে নতুন রানি উপাধি দেন তিনি। এটি রাজার চতুর্থ বিয়ে। আগের সবগুলো বিয়ে বিচ্ছেদ ঘটে।