গণপূর্তমন্ত্রীর সঙ্গে প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

ঢাকায় মাইক্রোহোম নির্মাণে আগ্রহ মালয়েশিয়ার

ঢাকায় আবাসন খাতে বিনিয়োগ করার আগ্রহের কথা জানিয়েছে মালয়েশিয়ার বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান গ্রিনল্যান্ড-তিতিজায়া। তারা বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যৌথভাবে ও সরকারের সঙ্গে পিপিপির ভিত্তিতে এ খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বিশেষ করে রাজধানীতে তরুণ ও কর্মজীবীদের জন্য মাইক্রোহোম বা ছোট ছোট বাসা নির্মাণ করতে আগ্রহী। প্রতিষ্ঠানটির একটি প্রতিনিধিদল গতকাল সচিবালয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিমের সঙ্গে বৈঠক করে এ আগ্রহের কথা জানায়। 

মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, মালয়েশিয়ার প্রতিনিধিদল ঢাকার আবাসন খাতে বিজনেস টু বিজনেস অথবা পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) আওতায় বিভিন্ন বিনিয়োগের প্রস্তাব দেয়। যার মধ্যে নতুন ধারণা হচ্ছে তরুণ কর্মজীবীদের জন্য ‘মাইক্রোহোম’ তৈরির প্রস্তাব।

প্রতিনিধিদল বৈঠকে বলে, মাইক্রোহোম হবে একটি সমন্বিত ব্যবস্থা, যেখানে অফিস সুবিধার পাশাপাশি একই স্থানে আবাসন ব্যবস্থা, বিনোদনের সুবিধাসহ জীবনধারণের সব ব্যবস্থা থাকবে। ঢাকার মতো ঘনবসতিপূর্ণ শহরে অবিবাহিত ও ছোট একক পরিবারের জন্য মাইক্রোহোম ধারণাটি অত্যন্ত সময়োপযোগী হবে। ইতিমধ্যে ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে আবাসন খাতে মাইক্রোহোম ধারণা বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

মন্ত্রী মালয়েশিয়ার প্রতিনিধিদলকে জানান, বাংলাদেশ বিদেশি বিনিয়োগের সব সুযোগ-সুবিধা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিশ্চিত করছে। সরকার ১২০টির অধিক অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে। মালয়েশিয়ার কোম্পানি চাইলে রাজউকের পূর্বাচল, ঝিলমিল এবং তুরাগ প্রকল্পে বিনিয়োগ করতে পারে। এ লক্ষ্যে আমরা সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব নিয়ে এগিয়ে যেতে পারি।

মন্ত্রীর দপ্তরে গ্রিনল্যান্ড-তিতিজায়ার গ্রæপ ম্যানেজিং ডিরেক্টর তান শ্রী দাতো লিম সুন পেংয়ের নেতৃত্বে ১১ সদস্যের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাতে রাজধানী উন্নয়ন কর্র্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যান ড. সুলতান আহমেদ, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব উম্মে সালমা তানজিয়া, রাজউকের পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক উজ্জল মল্লিকসহ গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।