ভারত সফরে বাংলাদেশ নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলবে দিল্লিতে। অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে (ফিরোজ শাহ কোটলা মাঠ) ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ৩ নভেম্বর। তবে এই ম্যাচের আগে তৈরি হয়েছে নতুন শঙ্কা। সম্প্রতি দিল্লির বায়ু দূষণের পরিমাণ পরম মাত্রায় পৌঁছেছে। যার প্রভাব ম্যাচের ওপর পড়ে কিনা সে নিয়েই এখন শঙ্কা।
ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচে বায়ু দূষণের প্রভাব পড়তে পারে এমন শঙ্কা জানিয়ে খবর প্রকাশ করেছে টাইমস অব ইন্ডিয়া। প্রতিবেদনটিতে সাম্প্রতিক সময়ের বায়ু দূষণের করুণ চিত্রই ওঠে এসেছে।
দীপাবলির আগে দিল্লির বায়ু দূষণের অবস্থা ছিল খুবই বাজে। টাইমস অব ইন্ডিয়া বলছে গত বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টায় দিল্লি ইউনিভার্সিটির আশে পাশে একিউআই ছিল- ৩৫৭ (৩০১-৪০০ পর্যন্ত খুব বাজে হিসেবে বিবেচিত)।
দীপাবলি উৎসবের পর বায়ু দূষণের অবস্থা আরো করুণ হতে পারে। সব মিলে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচের আগে বায়ু দূষণ নিয়ে ভাবতেই হচ্ছে। ২০১৭ সালে ভারত-শ্রীলঙ্কা দিল্লি টেস্টে বায়ু দূষণের কারণে খেলা বন্ধ থাকার ঘটনা ঘটে। এমনকি দুজন লঙ্কান খেলোয়াড় অসুস্থও হয়ে পড়েন। বায়ু দূষণের কারণে ২০১৬ সালে দিল্লিতে রঞ্জি ট্রফির দুটি ম্যাচও বাতিল হয়েছিল।
তবে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআই এবং দিল্লি অ্যান্ড ডিসট্রিক্ট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তারা আশাবাদী, ম্যাচের আগে যে ক’দিন সময় আছে, সেই সময়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে।
সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে বিসিসিআইয়ের এক কর্তা বলেন, ‘দেখুন, দীপাবলির আগে থেকেই দিল্লির বায়ু অতিরিক্ত দূষিত। তবে মাস শেষ হওয়ার এখনো এক সপ্তাহ বাকি। আমরা আশা করছি খেলোয়াড়েরা কোনো স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়বে না।’ বাংলাদেশ দলকে যাতায়াতের সময় আলাদা সতর্কতার সেফ মাস্ক ব্যবহারের কথাও বলা হতে পারে কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে।
ভারত সফরে তিনটি টি-টোয়েন্টি ও দুটি টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ। ৩০ নভেম্বর সরাসরি দিল্লি যাবে টাইগাররা। ৩ নভেম্বর দিল্লিতে প্রথম ম্যাচ। রাজকোট ও নাগপুরে পরের দুই টি-টোয়েন্টি ৭ ও ১০ নভেম্বর। ১৪ নভেম্বর ইন্দোরে প্রথম টেস্ট ও ২২ নভেম্বর কলকাতায় দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচ শুরু হবে।