বাংলাদেশে আশ্রয় গ্রহণকারী রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ভোটার করা ও এনআইডি জালিয়াতির ঘটনায় চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে জয়নাল আবেদীনের বাড়ি ও শ্বশুর বাড়িতে তদন্তে গিয়েছে দুদকের একটি টিম।
চট্টগ্রাম জেলা নির্বাচন অফিসের অফিস সহকারী জয়নাল আবেদীনের নির্মাণাধীন ভবনে শুক্রবার বিকেলে দুদক প্রধান কার্যালয়ের পরিচালক জহিরুল ইসলামের নেতৃত্বে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
দুদক কর্মকর্তারা জয়নালের নির্মাণাধীন ভবনের বিভিন্ন অংশ পর্যবেক্ষণ ও পরিমাপ করেন। এ সময় জয়নালের পিতা-মাতা এবং স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদ করেন দুদক দল। পরে সরল ইউনিয়নের জালিয়াঘাটার গ্রামে জয়নালের শ্বশুর মোজাহের আহমদের চৌধুরীর নবনির্মিত পাকা ভবনও পরিদর্শন করেন দুদক টিম। এ সময় তার শ্বশুর ও স্থানীয়দের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করেন তারা।
উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম নির্বাচন অফিসে রোহিঙ্গা ভোটার ও এনআইডি কার্ড জালিয়াতির অভিযোগে গত ১৬ সেপ্টেম্বর দুদকের অভিযানে গ্রেপ্তার হয় বাঁশখালী পৌর সদরের ৭নং ওয়ার্ডের আস্করিয়া পাড়া এলাকার আবদুল মোনাফের পুত্র মো. জয়নাল আবেদীন। তার কাছ থেকে জালিয়াতির কাজে ব্যবহৃত নির্বাচন অফিস থেকে হারিয়ে যাওয়া একটি ল্যাপটপসহ গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র উদ্ধার করে দুদক টিম।
জানা যায়, জয়নাল আবেদীনসহ একটি চক্র চুরি করা ল্যাপটপের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে অবৈধভাবে অর্থের মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের ভোটার করে বিশাল অর্থের মালিক বনে যায়।
দুদক প্রধান কার্যালয়ের পরিচালক জহিরুল ইসলাম বলেন, রোহিঙ্গা ভোটার ও এনআইডি কার্ড জালিয়াতির অভিযোগে গ্রেপ্তারকৃত জয়নালের স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তির তদন্ত করা হচ্ছে। দুর্নীতির সঙ্গে যারা জড়িত তাদেরও সম্পত্তির তদন্ত করা হচ্ছে।