ডিসিসিআইর সেমিনার

এপিআইয়ে জোর দিতে হবে এখনই

ট্রিপস চুক্তির মেয়াদ ২০৩৩ হলেও উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের পর ২০২৭ সালেই এর আওতায় সুবিধা হারাবে বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প। তার আগেই বাংলাদেশের এপিআই উন্নয়নে জোর দিতে এখনই গবেষণা ও পরিকল্পনা নেওয়া জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। গতকাল শনিবার ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) আয়োজিত ‘বাংলাদেশে এপিআই খাতের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক সেমিনারে এ কথা বলেন তারা।

সেমিনারে ঢাকা চেম্বারের সভাপতি ওসামা তাসীর বলেন, কাঁচামাল আমদানির ওপর বেশিমাত্রায় নির্ভরতা আমাদের ওষুধ শিল্পের বড় প্রতিবন্ধকতা। চাহিদার মোট এপিআইয়ের মাত্র ৫ শতাংশ দেশে উৎপাদিত হচ্ছে। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্র্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, ২০২৭ সালে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হলে ট্রিপস চুক্তির আওতায় বিদ্যমান সুবিধা থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এপিআই খাতে এখনই পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নে কাজ করতে হবে।

সেমিনারে মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রবিউল ইসলাম, অ্যাকটিভ ফাইন কেমিক্যালসের চেয়ারম্যান মো. জিয়া উদ্দিন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডব্লিউটিও সেলের পরিচালক মো. হাফিজুর রহমান, ডিসিসিআইয়ের ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি ওয়াকার আহমেদ চৌধুরী, সহ-সভাপতি ইমরান আহমেদ, পরিচালক আশরাফ আহমেদ, দ্বীন মোহাম্মদ, এনামুল হক পাটোয়ারী, খন্দকার রাশেদুল আহসান, মো. আল আমিন, নূহের লতিফ খান, মোহাম্মদ বাশীর উদ্দিন, শামস মাহমুদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।