দোয়ারাবাজারে আবদুল বারী (৭০) নামে এক মুক্তিযোদ্ধা খুন হয়েছেন। গতকাল রবিবার দুপুরে উপজেলার সুলতান গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ নিহতের স্ত্রী আছিয়া বেগম (৫০) ও ছেলে মিলন মিয়াকে (২২) আটক করেছে।
স্থানীয়রা জানান, আবদুল বারী দুপুরে বাড়ির উঠানে দুর্বৃত্তের শাবলের আঘাতে ঘটনাস্থলে মারা যান। পরে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। তারা আরও জানান, গ্রামের কালা শাহের সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধা আবদুল বারীর আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ ছিল। ২০১৭ সালে কালার ভাগনি জামাই হাফিজ আলী খুন হন। সেই মামলা আবদুল বারীর পরিবারের কয়েকজনকে আসামি করা হয় এবং তারা জেলও খাটেন। সেই ঘটনায় এ হত্যাকাণ্ড হতে পারে। নিহতের মেয়ে মমতাজ বেগম বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে কালা শাহের পরিবারের বিরোধ ছিল। একটি খুনের ঘটনায় আমার বাবা, ভাই আসামি হয়ে জেলও খাটেন। পরিকল্পিতভাবে বাবাকে শাবল দিয়ে আঘাত করে কালা শাহের লোকজন হত্যা করেছে। অথচ পুলিশ তাদের না ধরে মা ও ভাইকে আটক করে নিয়ে গেছে। আমরা এ ঘটনার সঠিক বিচার চাই।’
পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেন, কালা শাহের সঙ্গে নিহতের পরিবারের বিরোধ ছিল, মামলাও ছিল। সেই ঘটনাকে সামনে রেখে ঘটনার পর নিহতের স্ত্রী-ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। উঠান থেকে রক্তাক্ত শাবল উদ্ধার করা হয় বলেও জানান তিনি।