পেঁয়াজ ছাড়ে ভারতের সিদ্ধান্ত আসতে পারে ১৫ নভেম্বর

ভারত রপ্তানি বন্ধ ঘোষণার আগে করা ঋণপত্রের (এলসি) বিপরীতে আমদানি আদেশের পেঁয়াজের বিষয়ে ১৫ নভেম্বর সিদ্ধান্ত আসতে পারে। দেশটির রপ্তানিকারকরা বিষয়টি বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের জানিয়েছেন।

গতকাল শুক্রবার দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক মোবারক হোসেন জানান, ভারতে পেঁয়াজের সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির কারণে বাজার নিয়ন্ত্রণে দেশটির বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এক স্পট আদেশে গত ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ ঘোষণা করে। এ কারণে উল্লিখিত তারিখের আগে করা এলসির দেড় হাজার টন পেঁয়াজ আটকা পড়ে ভারতে। কয়েক বার বৈঠকের পর দু’দফায় গত ৪ অক্টোবর ১ হাজার টন ও ২২ অক্টোবর ৫০ টন পেঁয়াজ ছাড়ে ভারত। এরপর আর কোনো চালান ছাড়েনি দেশটি। ফলে বকেয়া প্রায় সাড়ে ৪০০ টন পেঁয়াজ ভারতে আটকা রয়েছে। হিলির অনেক আমদানিকারক পুরনো এলসি সংশোধন করেছেন, তাতে আরও এক হাজার টন পেঁয়াজের আমদানির আদেশ রয়েছে। অন্যান্য বন্দরের আমদানিকারকদেরও আরও এলসি রয়েছে।

তিনি বলেন, পুরনো এলসির এসব পেঁয়াজ রপ্তানির বিষয়ে অনুমতি চেয়ে সে দেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে দেশটির রপ্তানিকারকরা আবেদন করেছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত সোমবার বিকেলে পেঁয়াজ রপ্তানির বিষয়ে নির্দেশনা আসার কথা থাকলেও সেদিন তা মেলেনি। পরে গত মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার তিন দিন চেষ্টা চালালেও কোনো নির্দেশনা মেলেনি। তবে আগামী ১৫ নভেম্বর নির্দেশনা পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা আমাদের জানিয়েছেন। অনুমতি মিললে দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে বন্দর দিয়ে পুরনো এলসির বিপরীতে পেঁয়াজ আমদানির সম্ভাবনা রয়েছে।