যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে গত রবিবার ‘১২ রবিউল আউয়াল’ তথা পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত হয়েছে। দিনটি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব ও মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও ওফাত দিবস। দিবসটি উপলক্ষে রবিবার ছিল সরকারি ছুটি।
এ ছাড়া ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ৬৪টি জেলা ও বিভাগীয় কার্যালয়, ৫০টি ইসলামিক মিশন কেন্দ্র, ৭টি ইমাম প্রশিক্ষণ অ্যাকাডেমি ও ৫৫০টি উপজেলা বা জোন মডেল রিসোর্স সেন্টারে শোভাযাত্রা, কুরআন খতম, ওয়াজ মাহফিল, মহানবী (সা.)-এর জীবন ও কর্মের ওপর আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। স্কুল ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের জন্য ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতারও আয়োজন করাহয়।
ধর্মপ্রাণ মানুষ ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে নামাজ, কুরআন তেলাওয়াত ও বিশেষ মোনাজাত করেন। জাতীয় দৈনিকগুলো দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে বিশেষ নিবন্ধ প্রকাশ এবং টেলিভিশনগুলো বিশেষ অনুষ্ঠান সম্প্রচার করে।
রাজধানী ঢাকার বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ, নয়াপল্টন জামে মসজিদ, চকবাজার শাহী মসজিদ, গুলশান আজাদ মসজিদসহ রাজধানীর প্রায় প্রতিটি মসজিদে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বিশেষ দোয়া ও আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
দিবসটি উপলক্ষে রবিবার দিবসটি উপলক্ষে গুলিস্তানের কাজী বশির মিলনায়তনে আশেকানে গাউছিয়া রহমানিয়া মইনীয়া সহিদীয়া মাইজভাণ্ডারী আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন তথ্যমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ। ঢাকার মিরপুরে আঞ্জুমানে রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভাণ্ডারীর উদ্যোগে জশনে জুলুস ও শান্তির লক্ষ্যে শোভাযাত্রা বের করা হয়। রাজধানীর উত্তরায় জমিয়তে আশেকানে মাইজভাণ্ডারী , বাংলাদেশ-এর ব্যবস্থাপনায় গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারী প্রপৌত্র ডা. শাহসুফি সৈয়দ মিশকাতুন নূর মাইজভাণ্ডারীর নেতৃত্বে জশনে জুলুস শুরু হয়। শোভাযাত্রাটি টঙ্গী চেরাগআলী পাইলট স্কুল ময়দানে গিয়ে শেষ হয়। রাজধানীর শাহজাহানপুরে আওলাদে রাসুল (সা.) সৈয়দ মজিবুল বশর আল্ হাছানী আল্-মাইজভা-ারীর নেতৃত্বে জশনে জুলুসের শোভাযাত্রা বের করা হয়।