রোহিঙ্গা গণহত্যা ও জাতিগত নিধনের অভিযোগে ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিসে (আইসিজে) গাম্বিয়ার করা মামলায় মিয়ানমারের পক্ষে লড়বেন অং সান সু চি। গতকাল বুধবার মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর সু চির দপ্তরের ফেইসবুক পেইজে এ কথা বলা হয়েছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
ওই ফেইসবুক পেইজে বলা হয়, গাম্বিয়ার করা মামলা মোকাবিলার জন্য মিয়ানমার প্রখ্যাত আন্তর্জাতিক আইনজীবীদের নিয়োজিত করছে। আইনজীবীদের দলের নেতৃত্ব দেবেন মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী সু চি। মিয়ানমারের জাতীয় স্বার্থের পক্ষে আইসিজেতে লড়বেন তিনি।
গত ১১ নভেম্বর মিয়ানমারের বিরুদ্ধে মামলাটি করে পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়া। মুসলিম দেশগুলোর সংগঠন ওআইসি এতে সমর্থন দিচ্ছে। মামলায় সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেয় কানাডাও।
২০১৭ সালের আগস্টে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে অভিযানে নামে দেশটির সেনাবাহিনী। নির্বিচার হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন থেকে বাঁচতে পরের কয়েক মাসে সাত লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জ মিন তুন রয়টার্সকে বলেন, ‘আমরা সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে এ বিষয়ে সরকারকে পূর্ণ সমর্থন দেব এবং সরকার যেভাবে বলবে সেভাবে কাজ করব।’
সু চির দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্র্যাসির মুখপাত্র মিয়ো নিয়ন্ত রয়টার্সকে বলেন, অং সান সু চির বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছে তারা। এ কারণে তিনি নিজেই এ মামলা লড়বেন বলে ঠিক করেছেন।
মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গণহত্যার মামলায় আগামী ১০-১২ ডিসেম্বর শুনানি ডেকেছে আইসিজে। এতে গাম্বিয়া ও মিয়ানমার দুই দফা শুনানি ও পাল্টা-শুনানিতে অংশ নেবে।