খুলনায় স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। কুষ্টিয়ায় মানব পাচার মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে ছেলেসহ স্বামী-স্ত্রী এবং সহোদরকে। চুয়াডাঙ্গায় ভাতিজাকে কুপিয়ে হত্যা মামলার রায়ে একজনকে দেওয়া হয়েছে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। ঢাকার বাইরের নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর–
খুলনা : স্ত্রী তাসলিমা খাতুনকে হত্যার দায়ে স্বামী হযরত আলী তরফদারকে (৪৩) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। গতকাল সোমবার দুপুরে খুলনা জেলা ও দায়রা জজ মশিউর রহমান চৌধুরী এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হযরত আলী তরফদার কয়রার উত্তর মদিনাবাদের বাবর আলী তরফদারের ছেলে।
কুষ্টিয়া : নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ আদালতে করা একটি মানব পাচার মামলায় এক নারীসহ ৫ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও জরিমানার আদেশ দিয়েছে আদালত।
গতকাল সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ আদালতের বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এক আসামির অনুপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন। রায়ে সব আসামির একসঙ্গে ৫ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছর সাজার আদেশও দেন বিচারক।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন সদর উপজেলার বটতৈল গ্রামের আকমল হোসেনের ছেলে সালাম ওরফে ডাগু ও সহোদর কানু শেখ, মৃত সাজাহান ফকিরের ছেলে কুরবান আলী ফকির ও কুরবান আলীর স্ত্রী মিনুরা খাতুন এবং তাদের পলাতক ছেলে মিজান।
চুয়াডাঙ্গা : ভাতিজাকে কুপিয়ে হত্যা মামলার রায়ে আলম বিশ্বাস (৫০) নামে একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। গতকাল সোমবার বিকেলে চুয়াডাঙ্গার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক রবিউল ইসলাম এ রায় প্রদান করেন। রায়ে দুজনের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের খালাস দেওয়া হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত আলম বিশ্বাস দামুড়হুদা উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের মৃত আবদুল আজিজের ছেলে।