হামলা থেকে রায়

হামলা : ২০১৬ সালের ১ জুলাই রাত পৌনে ৯টা।

নিহত : ২২ জন (ইতালির ৯ জন, জাপানের সাতজন, ভারতের একজন, বাংলাদেশের দুজন, বাংলাদেশ-আমেরিকার দ্বৈত নাগরিক একজন, পুলিশ কর্মকর্তা দুজন)

অপারেশন : অপারেশন থান্ডারবোল্টে নিহত হয় পাঁচ জঙ্গি ও একজন শেফ। তারা হলো– মীর সামেহ মোবাশ্বের,রোহান ইমতিয়াজ, নিরবাস ইসলাম, খায়রুল ইসলাম পায়েল, শফিকুল ইসলাম উজ্জ্বল ওরফে বিকাশ ও শেফ সাইফুল চৌকিদার। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান আরেকজন শেফ।

মামলা : ২০১৬ সালের ২ জুলাই গুলশান থানায় মামলা। বাদী গুলশান থানার এসআই রিপন কুমার দাস।

তদন্ত সংস্থা : কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট-সিটিটিসি।

তদন্ত কর্মকর্তা : সিটিটিসির পরিদর্শক হুমায়ুন কবীর।

জিজ্ঞাসাবাদ : জিম্মি অবস্থা থেকে উদ্ধার হাসনাত রেজাউল করিম ও তাহমিদ হাসিব খানকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও পরে তাদের আসামি করা হয়নি।

অভিযোগপত্র জমা : ২০১৮ সালের ২৩ জুলাই। অভিযুক্ত ২১ জনের মধ্যে আটজনকে জীবিত দেখানো হয়।

জীবিত আট আসামি : জাহাঙ্গীর আলম ওরফে রাজীব গান্ধী, রাকিবুল হাসান রিগান, আসলাম হোসেন ওরফে রাশেদুল ইসলাম ওরফে র‌্যাশ, সোহেল মাহফুজ, মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজান, হাদিসুর রহমান সাগর, শরিফুল ইসলাম খালেদ ও মামুনুর রশিদ রিপন। খালেদ ও রিপন পলাতক ছিল। পরবর্তী সময়ে গ্রেপ্তার হয় তারা।

বিভিন্ন অভিযানে নিহত যারা : হামলায় ২১ জনের সংশ্লিষ্টতা ছিল। এরমধ্যে অভিযানে পাঁচ জঙ্গি এবং পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন অভিযানে আরও আটজন নিহত হয়। এই আটজন হলো– মাস্টারমাইন্ড তামিম আহমেদ চৌধুরী, নূরুল ইসলাম মারজান, সারোয়ার জাহান, তানভীর কাদেরী, বাশারুজ্জামান চকলেট, মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম,  মিজানুর রহমান ওরফে ছোট মিজান ও রায়হানুল কবির রায়হান।

স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় : ছয় আসামি

অভিযোগ গঠন : ২০১৮ সালের ২৬ নভেম্বর।

সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু : ২০১৮ সালের ৩ ডিসেম্বর, প্রথম সাক্ষী বাদী এসআই রিপন কুমার দাস।

সাক্ষ্য শেষ : ২০১৯ সালের ২৭ অক্টোবর।

যুক্তিতর্ক সম্পন্ন : ২০১৯ সালের ১৭ নভেম্বর।

রায় : ২৭ নভেম্বর, ২০১৯। ফাঁসি সাতজনের, খালাস একজন।

বিচার হয় : সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালে

বিচারক : মজিবুর রহমান

সাক্ষী : সাক্ষী ছিল ২১১ জন। ১১৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ হয়।