বাংলাদেশ জঙ্গি দমন করতে সক্ষম হয়েছে বলে মনে করেন তথ্যমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেছেন, ‘আমরা জঙ্গি নির্মূল করতে পেরেছি এই কথা বলব না। তবে বাংলাদেশ জঙ্গি দমন করতে সক্ষম হয়েছে।’ গতকাল বুধবার সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি-ডিআরইউর সাগর-রুনি মিলনায়তনে ‘ডিআরইউ বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড ২০১৯’ প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। তথ্যমন্ত্রী এ সময় দাবি করেন, বাংলাদেশে জঙ্গি দমন যতটা সম্ভব হয়েছে পৃথিবীর অন্য কোনো রাষ্ট্রে তেমন হয়নি।
গুলশান হামলা মামলার রায়ের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, ‘হলি আর্টিজানে জঙ্গিরা যেভাবে হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, এই ঘটনার পর সংবাদপত্রে অনুসন্ধানী রিপোর্ট বিচার প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করার ড়্গেত্রে সহায়তা করেছে।’ বাংলাদেশের গণমাধ্যম সবসময় জঙ্গিদের বিরুদ্ধে রিপোর্ট করেছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, এই রিপোর্টগুলো ভবিষ্যতে জঙ্গি তৈরি না হওয়ার ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার প্রসঙ্গ টেনে আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক বলেন, ‘যখন আমরা জঙ্গিদের গ্রেপ্তার করছিলাম, তখন বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া বলেছিলেন, কিছু লোককে ধরে আনা হয়, কিছুদিন ধরে রেখে দেওয়া হয়, তারপর চুল দাড়ি লম্বা হলে তাদের জঙ্গি হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়। এই ধরনের দায়িত্বহীন কথাবার্তা জঙ্গি দমনে বড় প্রতিবন্ধকতা।’
পুরস্কারপ্রাপ্ত সাংবাদিকদের উদ্দেশে তথ্যমন্ত্রী হাছান বলেন, যার কাছে ক্ষমতা নেই তাকে ক্ষমতাবান করতে পারে সাংবাদিকতা। যে প্রতিবাদ করতে সাহস পায় না, তাকে প্রতিবাদ করতে উদ্বুদ্ধ করা হয় সাংবাদিকতায়। সুতরাং এই দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এজন্যই গণমাধ্যমকে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ বলা হয়। আপনারা সত্য বিষয়কে তুলে ধরার চেষ্টা করবেন সবসময়।