পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য

মধ্যপ্রাচ্যে নারীকর্মীরা ১ শতাংশেরও কম নির্যাতনের শিকার

মধ্যপ্রাচ্যে কর্মরত বাংলাদেশি নারীকর্মীদের মধ্যে গৃহকর্মীরাই বেশি নির্যাতনের শিকার হন। তবে সেখানে কর্মরত নারীকর্মীদের মধ্যে নির্যাতনের শিকার ১ শতাংশেরও কম। সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে এ তথ্য জানায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। গতকাল বুধবার সংসদ সচিবালয়ের পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংখ্যায় যা-ই হোক, নির্যাতন বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বলেছে সংসদীয় কমিটি। একই সঙ্গে পররাষ্ট্র এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়কে যৌথভাবে নির্যাতন বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, তুলনামূলকভাবে পুরুষকর্মীদের চেয়ে নারীকর্মীরা বেশি রেমিট্যান্স পাঠান। যেখানে পুরুষরা তাদের আয়ের ৬০ শতাংশ রেমিট্যান্স পাঠান, সেখানে নারীরা পাঠান ৯০ শতাংশ। ২৫ বছরের কম ও ৪৫ বছরের বেশি বয়সী নারীদের বিদেশ না পাঠানোর নিয়ম রয়েছে। কিন্তু কখনো ১৪ বছরের শিশু আবার কখনো ৬৫ বছর বয়সীদের পাঠানো হয়েছে বলে কমিটিকে জানানো হয়। এসব অনিয়মের সঙ্গে জড়িত এজেন্সিগুলো চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয় কমিটির পক্ষ থেকে। বৈঠকে বিদেশে প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ যথাযথভাবে কাজে লাগানোর পরামর্শ দেওয়া হয়।

এছাড়া রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সম্প্রতি আসিয়ান দেশগুলো সফরের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। তাদের সফরের পরপরই আসিয়ান সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই সম্মেলনে রোহিঙ্গা সমস্যার বিষয়টি এক নম্বর এজেন্ডা ছিল বলেও বৈঠকে জানানো হয়। কমিটির সভাপতি মুহম্মদ ফারুক খানের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন, প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, সদস্য নুরুল ইসলাম নাহিদ, নাইম রাজ্জাক ও নিজাম উদ্দিন জলিল (জন) অংশ নেন।