বগুড়ায় কর্মরত পুলিশের সার্জেন্ট তরিকুল ইসলামকে (৩২) স্ত্রীর দায়ের করা যৌতুক নিরোধ আইনের মামলায় কারাগারে পাঠানো নির্দেশ দিয়েছে জয়পুরহাটের একটি আদালত।
সোমবার দুপুরে জয়পুরহাট চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক নাহিদ আখতার জুলিয়েট এ আদেশ দেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার নিশ্চিতা বাজার এলাকার গোলাম মোস্তফার মাস্টার্সে অধ্যয়নরত মেয়ে মায়া আকতারের সঙ্গে এ বছরের ১৪ আগস্ট একই উপজেলার শিশি নাজিরপাড়া উত্তরহাট শহর গ্রামের তোজাম্মেল হোসেনের ছেলে তরিকুল ইসলামের পারিবারিকভাবে বিয়ের আলোচনা হয়।
বিয়ের জন্য তরিকুলের তার অফিসের অনুমতি প্রয়োজন জানিয়ে ওই দিনই কাজীর মাধ্যমে মৌখিক বিয়ে সম্পন্ন হয়।
বিয়ের পর তরিকুল মায়ার কাছে ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। মায়া যৌতুক দিয়ে রাজি না হলে তাকে মারধর করতে থাকেন।
এরপর পারিবারিকভাবে ১১ নভেম্বর ৬ লাখ ১ টাকা দেনমোহরে তাদের বিয়ে রেজিস্ট্রি সম্পন্ন হয়। পরে তরিকুল মায়ার নিকট আবারও ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন।
মায়ার পরিবার যৌতুক দিতে রাজি না হওয়ায় তাকে মারধর, গলাধাক্কা, টানা-হেঁচড়া করে বাড়ি থেকে বের করে দেন তরিকুল। পরে ১৪ নভেম্বর মায়া আকতার বাদী হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেন।
সোমবার আদালতে জামিন আবেদন করলে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তরিকুলকে কারাগারে পাঠানো নির্দেশ দেয়।
জয়পুরহাট কোর্ট ইন্সপেক্টর মাহবুবুর রহমান তরিকুলকে কারাগারে পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।