রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের য়ের (রাবি) উপাচার্য (ভিসি) পদে অধ্যাপক ড. এম আব্দুস সোবহান কোন কর্তৃত্ব বলে বহাল রয়েছেন তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। এ সংক্রান্ত একটি রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল সোমবার বিচারপতি তারিক উল হাকিম ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের হাইকোর্ট বেঞ্চ শুনানি শেষে এ রুল জারি করে।
আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব, শিক্ষা সচিব, বিশ^বিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান, রাবির ভিসি ও রেজিস্ট্রারসহ বিবাদীদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী। তাকে সহযোগিতা করেন আবেদনকারী আইনজীবী মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মাঈনুল হাসান।
পুনরায় উপাচার্য পদে দায়িত্ব পালন নিয়ে গত ১৫ মে ড. এম আব্দুস সোবহানের রাবির উপাচার্যের পদে থাকার বৈধতা নিয়ে আইনি নোটিস পাঠানো হয়। জবাব না পেয়ে ২৪ জুলাই এই রিট আবেদনটি করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী সালমান ফিরোজ ফয়সাল।
আবেদনের বরাতে আইনজীবী মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন সাংবাদিকদের বলেন, অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহান বিশ্ববিদ্যালয় আইন ১৯৭৩-এর ১১ (২) ধারা অনুযায়ী ২০১৭ সালের ৭ মে চার বছরের জন্য উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পান। কিন্তু এই ধারা অনুযায়ী স্থায়ী (চার বছরের জন্য) নিয়োগের সুযোগ নেই। অস্থায়ী নিয়োগের বিধান রয়েছে।
তিনি জানান, চার বছরের জন্য নিয়োগ দিতে হলে ১১ (১) ধারা অনুসারে তিনজনের প্যানেল থেকে একজনকে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দিতে হয়। কিন্তু তার ক্ষেত্রে এই বিধান অনুসরণ করা হয়নি। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী কাজী মাঈনুল হাসান বলেন, আদালত রুল জারি করলেও তার দায়িত্ব পালন করে যেতে কোনো বাধা নেই।