মেহেরপুর শহরের জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অফিসের পাশে পড়ে থাকা বোমাটি তৃতীয় দিনে নিষ্ক্রিয় করল ঢাকা থেকে যাওয়া এনকাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের বোমা বিশেষজ্ঞ দল।
শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার সময় ইলেকট্রিক ডিভাইস যুক্ত বোমাটি নিষ্ক্রিয় করা হয়। বোমা বিশেষজ্ঞ দলটির নেতৃত্ব দেন ঢাকা এনকাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের ইন্সপেক্টর ইসরাফিল হোসেন ভূঁইয়া। সকালে ঘটনাস্থলে এসে ডিভাইসযুক্ত বোমাটি পর্যবেক্ষণ করে পরবর্তীতে তারা এটি নিষ্ক্রিয় করেন।
৫ ডিসেম্বর সকালে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অফিস এবং স্থানীয়রা খবর দিলে পুলিশ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অফিসের প্রবেশমুখে আন্ছারুল ইসলাম দলের নামের একটি চিরকুটসহ ব্যাগের ভেতর রক্ষিত বোমা দুটির সন্ধান পায়।
তারপর থেকেই পুলিশ ঘটনাস্থলটিকে ঘিরে রেখেছিল। বাড়ছিল মানুষের কৌতূহল ও আতঙ্ক। তারপর থেকে প্রথমে র্যার পরে সেনাবাহিনী বোমা দুটি নিষ্ক্রিয় করবে পুলিশ এমন সংবাদ দিলেও সবশেষ ঢাকা এনকাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট দল মেহেরপুর গিয়ে বোমা দুটি নিষ্ক্রিয় করলো।
মেহেরপুর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ জাহিদ হোসেন জানান, তিন দিন ধরে ঘিরে রাখা ডিভাইস যুক্ত বোমা সাদৃশ্য বস্তুটি শনিবার সকালে এনকাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট নিষ্ক্রিয় করে।
তিনি দাবি করেন, এটি বোমা ছিল না। আতঙ্ক সৃষ্টির জন্য ডিভাইস দিয়ে কেউ রেখে গেছে। যে চিরকুট পাওয়া গেছে আনসারুল ইসলাম দলের নামে সেগুলো নিয়ে পুলিশের একাধিক দল তদন্ত শুরু করেছেন।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে মেহেরপুর শহরের জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অফিসের পাশে একটি ব্যাগের মধ্যে ডিভাইস যুক্ত বোমা পড়ে থাকতে দেখে পুলিশ কে খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ এসে বোমাটি ঘিরে রাখে। পুলিশ এবং স্থানীয়দের ধারণা বুধবার রাতের যে কোনো সময় দুষ্কৃতকারীরা এই বোমা দুটি ব্যাগে করে এনে তা রেখে যায়।