তিন দিনের ব্যবধানে দিনাজপুরের হাকিমপুরের হিলিতে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৪০-৫০ টাকা কমেছে। দেশি ও আমদানি উভয় পেঁয়াজের দাম পাইকারি ও খুচরায় কমেছে। আগামীকাল শুক্রবার থেকে হিলিতে সরকারি বিপণন সংস্থা টিসিবির পেঁয়াজ বিক্রি শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এদিকে টিসিবির ৪৫ টাকা দরের পেঁয়াজ কিনতে গতকাল বুধবার সকালে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে মানুষের ভিড় জমে।
আমাদের হাকিমপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি জানিয়েছেন, কয়েক দিনের ব্যবধানে গতকাল বাজারে সব ধরনের পেঁয়াজের দাম খানিকটা কমেছে। এদিন বাজারে দেশি
মুড়িকাটা পেঁয়াজ বিক্রি হয় ১১০-১২০ টাকা কেজি। অবৈধপথে আসা ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হয় ১২০-১৩০ টাকা কেজি, যা তিন দিন আগে ১৭০-১৮০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছিল। চীনা পেঁয়াজ বিক্রি হয় ১০০ টাকা কেজি দরে, যা তিন দিন আগে ছিল ১২০ টাকা। এছাড়া দেশি পাতা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০ টাকা কেজি দরে।
হিলি বাজারের ব্যবসায়ী মনিরুল আলম বলেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দেশি মুড়িকাটা ও পাতা পেঁয়াজ উঠতে শুরু করায় সরবরাহ আগের তুলনায় খানিকটা বেড়েছে। এতে দামে প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। কিছুদিনের মধ্যে দেশের অনান্য অঞ্চলের পেঁয়াজগুলো বাজারে আসবে। তখন পেঁয়াজের সরবরাহ যেমন বাড়বে তেমনি দাম আরও কমবে।
হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবদুর রাফিউল আলম বলেন, পেঁয়াজের বাজারের অস্থিতিশীল অবস্থা দূর করতে সারা দেশের ন্যায় হিলিতেও টিসিবির মাধ্যমে ৪৫ টাকা কেজি দরে আগামীকাল শুক্রবার থেকে পেঁয়াজ বিক্রি শুরু করা হবে। এতে পেঁয়াজের দাম আরও কমবে।
কমলগঞ্জে টিসিবির পেঁয়াজ কিনতে ভিড় : আমাদের কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি জানিয়েছেন, সরকারি বিপণন সংস্থা টিসিবির ৪৫ টাকা দরের পেঁয়াজ কিনতে গতকাল সকালে কমলগঞ্জে মানুষের ভিড় জমে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আশেকুল হকের উপস্থিতিতে এ পেঁয়াজ বিক্রি শুরু হয়। ইউএনও বলেন, ‘তিন টন পেঁয়াজ বরাদ্দ পেয়েছি। মানুষ শান্তিপূর্ণ পরিবেশে জনপ্রতি দুই কেজি করে পেঁয়াজ কিনেছে। পেঁয়াজ বরাদ্দ বাড়াতে চেষ্টা করব।’