প্রযুক্তি চাকরির কারণে বিশ্বের উন্নত শহরগুলো দিনে দিনে আরও ধনী হচ্ছে। সেই তুলনায় পিছিয়ে পড়ছে সাধারণ শহর।
২০০৫ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত সান জোসে, সান ফ্রান্সিসকো, সিয়াটল, সান দিয়েগো, বোস্টন কিংবা টোকিওর মতো শহর শুধু প্রচুর চাকরির সুযোগ সৃষ্টি করেনি, তারা মূলধনও জোগাড় করেছে অনেক।
টেক শহরের নাম বললেই সবার আগে চোখে ভাসে ক্যালিফোর্নিয়ার সান ফ্রান্সিসকো’তে অবস্থিত সিলিকন ভ্যালি। এখানে সহস্রাধিক স্মার্টআপ প্রতিষ্ঠান রয়েছে। রয়েছে ফেইসবুক, অ্যাপল, গুগল, সিসকো সিস্টেমস, অ্যাডোবি, ইবে, ইন্টেল, এইচপিসহ নামকরা সব প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয়। টেকনোলজিতে পেশাজীবীদের জন্য সবচেয়ে আকর্ষণীয় এই শহরটি। এখানকার একজন কর্মীর গড় বার্ষিক বেতন প্রায় দেড় লাখ মার্কিন ডলার। গত কয়েক বছরে সেটি আরও বেড়েছে!
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসির সিয়াটলের অবস্থান টেক বিশ্বে দুই নম্বরে। যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদপত্র নিউইয়র্ক টাইমস এই শহরটিকে টেক বুমের নতুন কেন্দ্র হিসেবে অভিহিত করেছে। অ্যামাজন, বিয়ইংসহ অসংখ্য টেক কোম্পানি রয়েছে এই শহরটিতে। সিয়াটলকে বলা হয় মাইক্রোসফটের ঘরের শহর।
টেক বিশ্বে সেরা শহরের তালিকায় শীর্ষ তিনে রয়েছে নিউইয়র্কের নাম। এই টেক শহরের বিশেষত্ব হচ্ছে, এখানকার ২৫ শতাংশ উদ্যোক্তা নারী। এই শহরটিতে রয়েছে উচ্চগতির ওয়াইফাই এবং ডাউনলোড স্পিড। যুক্তরাষ্ট্র আইটি খাত থেকে যে পরিমাণ অর্থ আয় করে তার একটি বড় অংশ আসে এই শহর থেকে।
টেক বিশ্বে ধনী শহরের তালিকায় টোকিও বেশ এগিয়ে। টেক গ্যাজেট, পরবর্তী প্রজন্মের মোবাইল ফোন, অত্যাধুনিক প্রযুক্তি পণ্য ও দ্রুতগতির যানবাহন তৈরিতে এই শহরটির জুড়ি মেলা ভার। প্যানাসনিক, নিক্কন, সনিসহ অসংখ্য প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের হোমটাউন হচ্ছে টোকিও।