পার্লামেন্টে ব্রেক্সিট চুক্তি অনুমোদন

যুক্তরাজ্যের নতুন পার্লামেন্টের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের সংশোধিত ব্রেক্সিট চুক্তি গতকাল শুক্রবার অনুমোদন পেয়েছে বলে জানিয়েছে এএফপি। জনসনের এই ব্রেক্সিট চুক্তি ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে আরও জটিল করবে বলে মনে করছেন বিশেস্নষকরা।

গতকাল পার্লামেন্টে চুক্তিটি অনুমোদনের পক্ষে ৩৫৮ ও বিপক্ষে ২৩৪ ভোট পড়ে। এর মধ্য দিয়ে জানুয়ারির ৩১ তারিখে ব্রেক্সিট করার ড়্গেত্রে অনেকটাই এগিয়ে গেলেন প্রধানমন্ত্রী। তবে পার্লামেন্টে চুক্তিটি অনুমোদন পেলেও জটিলতা এখনো কাটেনি। কারণ, ব্রেক্সিটের পর ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে যুক্তরাজ্যের বাণিজ্যিক সম্পর্ক কেমন হবে তা এখনো ‍সুরাহা হয়নি।

গত সপ্তাহে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয় পায় জনসন নেতৃত্বাধীন কনজারভেটিভ পার্টি। ৬৫০ সদস্যবিশিষ্ট হাউজ অব কমন্সের ৩৬৫টি আসন পান কনজারভেটিভরা। ফলে হাউজে কোনো বিল বা চুক্তি পাসে এখন আর কোনো প্রতিবন্ধকতা নেই দলটির। আগামী ৯ জানুয়ারি জনসনের ব্রেক্সিট পরিকল্পনার শর্ত নিয়ে চূড়ান্ত ভোট হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ভোটে ব্রেক্সিট পরিকল্পনা পাস হলে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের বিচ্ছেদের শুধু আনুষ্ঠানিকতাটুকু বাকি থাকবে।

স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টির (এসএনপি) সংসদীয় প্রধান ইয়ান ব্ল¨াকফোর্ড বলেন, ‘আমরা এই বিষাক্ত ব্রেক্সিট অনুমোদনকে প্রত্যাখ্যান করছি। একই সঙ্গে স্পষ্ট করে বলতে চাই, যুক্তরাজ্য সরকার স্কটল্যান্ডকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের করতে পারবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত তা স্কটিশ পার্লামেন্টে বৈধতা না পাবে।’ বিশেস্নষকদের মতে, সামনের মাসগুলোতে এসএনপির স্বাধীনতার দাবির আন্দোলন জনসনকে ভোগাতে পারে।