মেকআপের নতুন ট্রেন্ড মুখের স্ট্রোবিং। নতুন এই ট্রেন্ড সম্পর্কে অনেকেরই ধারণা নেই। স্ট্রোবিং আসলে কী? কেনই বা ধীরে ধীরে কন্টোর হাইলাইটিং-এর মতো জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এই স্ট্রোবিং। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক। জানালেন রূপবিশেষজ্ঞ বীথি চৌধুরী
স্ট্রোবিং হলো মেকআপের পর ফেস হাইলাইটিং করা। গতানুগতিক হাইলাইটিং-এ যতটুকু হাইলাইট করা হয় স্ট্রোবিংয়ের ক্ষেত্রে তার চেয়ে তিন-চারগুণ বেশি হাইলাইট করা হয়। এর মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে মেকআপের মাধ্যমে মুখের ত্বককে অনেক বেশি গ্লোয়িং এবং রেডিয়েন্ট লুক দেওয়া।
তবে, এখানে কোনো ব্রনজার-এর কাজ থাকবে না। স্ট্রোবিং কন্টোরিংয়ের চেয়ে অপেক্ষাকৃত সহজ কারণ শুধু হাইলাইট করতে হয় তাছাড়া বিভিন্ন জায়গায়, কন্টোরের মতো ডার্ক শেড ও লাইট শেড নিয়ে ব্লেন্ডিংয়ের ঝামেলা নেই।
কীভাবে স্ট্রোবিং করবেন
সাধারণত আমরা যেভাবে মেকআপ করি সবকিছু ঠিক সেভাবেই হবে তবে শুধু ব্রনজারের ব্যবহার ছাড়া। ভালোমানের একটি হাইলাইটার লাগবে। যেখানে যেখানে হাইলাইটিং করতে হবে সেগুলো হচ্ছে_
কপালের মাঝখানে, টিপ অফ নোজ-এ ( নাকের ব্রিজ বরাবর) কিউপিড বো (নোজ টিপ বরাবর আপার লিপের ওপরের জায়গাটি ) চিবুক, চিকবোনে (গালের হাড়ে)
ব্রো আর্চ-এ (ব্রো-এর ওপরে সবচেয়ে উঁচু জায়গাটিতে)
ব্রো বোন-এ, ইনার কর্নার এই জায়গাগুলোতে অনেক অনেক বেশি করে হাইলাইট অ্যাপ্লাই করলেই হয়ে যাবে স্ট্রোবিং। সবশেষে মেকআপ সেটিং স্প্রে দিতে হবে।
টিপস
n ডিও ফিনিস দেয় এমন ফাউন্ডেশনে ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে।
n পাউডার হাইলাইটারের বদলে লিকুইড হাইলাইটার ব্যবহার করতে পারেন।
n ব্লাশ- অন ব্যবহার করা যায়।
জেনে রাখুন
তৈলাক্ত ত্বকে সাধারণত স্ট্রোবিং খুব একটা ভালো হয় না কারণ এমনিতেই অয়েলি হয়ে থাকে তাই বেশি করে হাইলাইটার ব্যবহারের তৈলাক্ত ভাব আরও বেশি করে ফুটে ওঠে।
মুখে অবাঞ্ছিত লোম বা ফেসিয়াল হেয়ার থাকলে স্ট্রোবিং করলে সেগুলো বেশি করে ফুটে ওঠে তাই স্ট্রোবিং করার আগে ভালো করে আবাঞ্ছিত লোম পরিষ্কার করে সুন্দর স্মুথ একটা বেইজ মেকআপ করে নিতে হবে।