ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ফলের গেজেট প্রকাশ পর্যন্ত কোনো প্রার্থী এলাকায় নতুন কোনো ধরনের চাঁদা-অনুদান-ত্রাণ বিতরণ করতে পারবেন না। তবে বিদ্যমান কোনো কার্যক্রম থাকলে সেটা চলমান থাকবে। দুর্যোগে নতুন কার্যক্রম গ্রহণ করলে তা জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে বিতরণ করতে হবে। এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দিয়ে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরগুলোতে চিঠি পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গত ২ জানুয়ারি ইসির নির্বাচন পরিচালনা-২ অধিশাখার উপসচিব আতিয়ার রহমান স্বাক্ষরিত চিঠিতে এই নির্দেশ দেওয়া হয়।
চিঠিতে বলা হয়, কোনো প্রার্থী বা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বা তার পক্ষে কোনো রাজনৈতিক দল, অন্য কোনো ব্যক্তি, সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশন এলাকায় প্রকাশ্যে বা গোপনে কোনো ধরনের চাঁদা বা অনুদান দিতে বা অঙ্গীকার করতে পারবে না। এ বিধান লঙ্ঘন দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) নির্বাচনকে প্রভাবমুক্ত রাখার লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন এ ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। নির্বাচনী এলাকায় অনুদান-ত্রাণ বিতরণসহ এ-সংক্রান্ত নতুন কোনো কার্যক্রম গ্রহণ করা যাবে না। তবে বিদ্যমান কোনো কার্যক্রম থাকলে সেটা চলমান থাকবে। আর কোনো এলাকায় অনুদান-ত্রাণ বিতরণ-সংক্রান্ত নতুন কার্যক্রম গ্রহণ করলে তা জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।
ইসি ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, দুই সিটির মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ছিল ৩১ ডিসেম্বর, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ছিল ২ জানুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহার ৯ জানুয়ারি, প্রতীক বরাদ্দ হবে ১০ জানুয়ারি, আর ভোট ৩০ জানুয়ারি।