‘বন্ধু’কে ভিডিও কলে রেখে রাজধানীর সায়েদাবাদে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন এক কলেজছাত্রী। তার নাম সানজিদা ইসলাম রিমি (১৮)। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সায়েদাবাদের ব্রাহ্মণচিরণ রোডের বাসা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। রিমি হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। ঘটনার পর তার কথিত বন্ধু সাহেল হাসপাতালে লাশ রেখে পালিয়ে যান। রিমির স্বজনরা দেশ রূপান্তরকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।
যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ জানায়, ব্রাহ্মণ চিরণ রোডের ৬৯/ক বাড়ির চারতলায় নিজ বাসা থেকে রিমির লাশ উদ্ধার করা হয়। তার বাবা বাহার আলী ফুটপাতের ফল বিক্রেতা, মা তানিয়া বেগম লেবানন প্রবাসী। দুই ভাই-বোনের মধ্যে রিমি ছিলেন বড়। মামা আশরাফুল ইসলাম দেশ রূপান্তরকে জানান, গতকাল দুপুরে সহপাঠী সাহেল রিমির বাসার সামনে গিয়ে আশপাশের বাসার লোকজনদের জানান, রিমি নিজের কক্ষে গলায় ফাঁস দিয়েছে। তার সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলতে বলতেই ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়েছে। পরে প্রতিবেশীদের সহায়তায় সাহেল নিজেই রিমিদের বাসার দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে তাকে উদ্ধার করে শাহজাহানপুরে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে নিয়ে যান। খবর পেয়ে তিনি ও বাবা ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল থেকে রিমিকে মুগদা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানকার চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ সময় সাহেল হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান। এরপর পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য রিমির মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।
যাত্রাবাড়ী থানার এসআই ওমর ফারুক দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘রিমি কেন আত্মহত্যা করেছে তা জানা যায়নি। সাহেলকে আটক করা গেলে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।’
ঢামেক হাসপাতাল চত্বরে নবজাতকের লাশ : ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল চত্বর থেকে এক ছেলে নবজাতকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল দুপুর ১টার দিকে উদ্ধারের পর পুলিশ নবজাতকটি হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
শাহবাগ থানার এসআই আবদুল কাদের দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘ঢামেক হাসপাতালের নার্সিং ক্যান্টিনের পেছনে ময়লার স্তূপের পাশে নবজাতকের লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। ধারণা করা হচ্ছে, কেউ মৃত অবস্থায়ই নবজাতকটি সেখানে ফেলে গেছে।’