মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ার চাঞ্চল্যকর মা-ছেলেকে জবাই করে হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন দেবর সুলাইমান। তবে নিহত পারভীনের শ্বশুর, শাশুড়ি ও প্রতিবেশীদের বৃহস্পতিবার জিজ্ঞাসাবাদ করে রাতে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ।
সাটুরিয়া উপজেলার উত্তর কাউন্নারা গ্রামের মজনু নামে সৌদিপ্রবাসীর স্ত্রী পারভীন বেগম (২৬) ও তার শিশুপুত্র আবদুর নূরকে (৬) জবাই করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।
সাটুরিয়া থানার ওসি মতিয়ার রহমান মিঞা বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যা হাসপাতালে পাঠানো হয়। বৃহস্পতিবার রাতে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। রাতেই তাদের উত্তর কাউন্নারা গ্রামে দাফন করা হয়।
প্রতিবেশীরা জানায়, উত্তর কাউন্নারা গ্রামের কারি আবদুর রহমানের পুত্র মজনু মিয়ার সঙ্গে একই উপজেলার দিঘলিয়া ইউনিয়নের সাফুল্লি গ্রামের হিকমত আলীর কন্যা পারভীনের ১০-১১ বছর আগে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। মজনু-পারভীনের সংসারে দুই ছেলে। খুন হওয়া ছোট ছেলে আবদুর নূর স্থানীয় বিদ্যালয়ের শিশুশ্রেণিতে পড়ত। আর বড় ছেলে আবদুল করিম একটি হাফিজিয়া মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে। মজনু ১৫ বছর ধরে প্রবাসী। তিনি বর্তমানে সৌদি আরবে কর্মরত। পারভীন সন্তান নিয়ে বাড়ির দোতলার একটি ইউনিটে থাকতেন। সাটুরিয়া থানার ওসি মতিয়ার রহমান বলেন, তদন্তের স্বার্থে আপাতত কিছু বলা যাচ্ছে না।