আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশের শিল্প খাতের চাকরির বাজারে অদক্ষদের চাহিদা কমে যাবে। বাড়বে আধা দক্ষ ও দক্ষদের চাহিদা। আর হালকা প্রকৌশল খাতে অতিদক্ষদের চাহিদা বাড়বে অনেক বেশি হারে। চাকরির বাজারে দক্ষ ও আধা দক্ষদের চাহিদা যে হারে বাড়বে, অদক্ষদের সেই অনুযায়ী চাকরি হবে না।
২০২৫-২৬ সময়ে দক্ষ, অদক্ষ ও আধা দক্ষ শ্রমিকের চাহিদা তুলে ধরে গতকাল প্রকাশিত প্রতিবেদনে ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স করপোরেশন (আইএফসি) বলেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছর পর্যন্ত বিভিন্ন খাতে দক্ষ কর্মীর চাহিদা বাড়বে বিপুল হারে, সেই তুলনায় অদক্ষ কর্মীর চাহিদা বাড়বে না। তাই মানবসম্পদের দক্ষতা উন্নয়নে গুরুত্বারোপের পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে পোশাক খাতে অদক্ষ শ্রমিক রয়েছে ৬ লাখ ১৮ হাজার ৭০৮ জন। ছয় বছরের মাথায় এ খাতে অদক্ষ শ্রমিকের প্রয়োজন হবে ৫ লাখ ৯৯ হাজার ৯১ জনের। অর্থাৎ, ২০২৫-২৬ অর্থবছর নাগাদ পোশাক খাতে অদক্ষ কর্মীর চাকরি এখনকার চেয়ে কমবে দশমিক ৩ শতাংশ হারে। পোশাক খাতে এখন আধা দক্ষ শ্রমিকের সংখ্যা ১২ লাখ ৩০ হাজার ১৬৪, ২০২৫-২৬ সালে তা বেড়ে দাঁড়াবে ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৮৭১ জনে। অর্থাৎ, এ খাতে আধা দক্ষ শ্রমিকের চাহিদা বাড়বে প্রায় ৪৯ শতাংশ হারে। অন্যদিকে, পোশাক খাতে এখন দক্ষ শ্রমিক রয়েছে ২২ লাখ ৫৮ হাজার ২৫০ জন। আগামী ছয় বছর পর দক্ষ শ্রমিক লাগবে ৫০ লাখ ২৭ হাজার ৪৬৩ জন। অর্থাৎ, ২০২৫-২৬ অর্থবছর নাগাদ খাতটিতে দক্ষ শ্রমিকের চাহিদা বাড়বে ১২২ শতাংশ। একইভাবে ২০২৫-২৬ অর্থবছর নাগাদ হালকা প্রকৌশল শিল্প খাতে অতিদক্ষদের চাহিদা বাড়বে ৭৭ শতাংশ, দক্ষদের চাহিদা বাড়বে ৫৮ শতাংশ, আধা দক্ষদের চাহিদা বাড়বে ১৫ শতাংশ ও অদক্ষদের চাহিদা বাড়বে ১৪ শতাংশ হারে। আর চামড়াজাত পণ্য খাতেও অদক্ষদের চাহিদার কয়েক গুণ হারে বাড়বে দক্ষ ও আধা দক্ষদের চাহিদা।
প্রতি বছর ২১ লাখ তরুণ কর্মবাজারে প্রবেশ করছে জানিয়ে আইএফসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। উচ্চতর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সত্ত্বেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ধীরগতি নেমে এসেছে। বাংলাদেশ প্রতি বছর ১১ লাখ ৫০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারছে। আর কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে প্রবৃদ্ধি ২ দশমিক ৪ শতাংশ। ২০০৩ থেকে ২০১০ পর্যন্ত এ হার ছিল ৩ দশমিক ১। ২০১০-১৬ সময়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রবৃদ্ধি কমেছে ১ দশমিক ৮ শতাংশ। যদিও এই সময়ে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি বেড়েছে।
০৪ বসুন্ধরা এলপি গ্যাসের বিক্রয় সম্মেলন
বসুন্ধরা এলপি গ্যাসের ‘বার্ষিক বিক্রয় সম্মেলন ২০১৯’ গত শনিবার গাজীপুরের বেইজ ক্যাম্পে উদ্বোধন করেন প্রতিষ্ঠানের বিক্রয় প্রধান জাকারিয়া জালাল।
গত বছরের সাফল্যের জন্য বিক্রয় কর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়ে ২০২০ সালের কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেন জাকারিয়া জালাল। এর আগে শুক্রবার সকালে বসুন্ধরা এলপি গ্যাসের সেলস এবং মার্কেটিং টিম বসুন্ধরা হেড কোয়ার্টার-২ থেকে মোট ১৫০ জন যাত্রা শুরু করে গাজীপুরে অবস্থিত ‘বেইজ ক্যাম্পের’ উদ্দেশ্যে। পরদিন আয়োজিত বিক্রয় সম্মেলনে বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মীদের অবদানের জন্য সেরা পারফরমার স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা এলপি গ্যাসের এজিএম খান আতাউর রাহমান, নূর কুতুব উল আলম। বিজ্ঞপ্তি