নরসিংদীতে দ্বিতীয় শ্রেণির স্কুলছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।
রোববার রাতে সদর উপজেলা চিনিশপুর ইউনিয়নের রাজাদী গ্রামের কালীর বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
পুলিশ ও নির্যাতিতার পরিবার জানায়, শিশুটি বিকেলে স্কুল শেষে বাড়ি ফেরার পথে রাজাদী গ্রামের কালীর বাজার এলাকায় পৌঁছালে শিশুটির গতিরোধ করে পলাশ উপজেলার মাঝেরচর গ্রামের কলা ব্যাপারী আলামিন নামে এক বখাটে। পরে শিশুটির মুখ চেপে ধরে পার্শ্ববর্তী একটি কলা খেতে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে গামছা দিয়ে শিশুটির মুখ বেঁধে ধর্ষণ করে। পরে তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। এরপর পরিবারের সদস্যরা তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। বহু খোঁজাখুঁজির পর বাড়ির অদূরে পার্শ্ববর্তী একটি কলা খেতে নিযার্তিতা শিশুটিকে পড়ে থাকতে দেখে। সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় চিকিৎসক ও পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে নরসিংদী সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।
খবর পেয়ে সদর মডেল থানা পুলিশ হাসপাতালে ছুটে আসে। এদিকে নির্যাতিতা শিশুটির অবস্থার অবনতি হলে রাত ১০টার দিকে শিশুটিকে ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।
নির্যাতিতা শিশুর রিকশাচালক বাবা বলেন, অনেক খোঁজাখুঁজির পর বাড়ির অদূরে একটি কলা খেতে গোঙানির শব্দ শুনতে পাই। সেখানে গিয়ে দেখি আমার মেয়ে পড়ে আছে। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসি। আমি ধর্ষকের বিচার চাই।
নরসিংদী সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দুজ্জামান বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশের একটি দল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে ধর্ষককে গ্রেপ্তারের জন্য ওসি তদন্তের নেতৃত্বে একটি টিম অভিযান শুরু করে দিয়েছে। আশা করছি স্বল্প সময়ের মধ্যেই অভিযুক্তকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।