চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের হস্তক্ষেপে বাল্য বিবাহ থেকে রক্ষা পেলো এক স্কুলছাত্রী। এ ঘটনায় ভুয়াকাজীকে দেড় মাস ও স্কুলছাত্রীর দুলাভাইকে এক মাস জেল দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সোমবার রাত ১১টার দিকে শহরের আরমপাড়া এলাকায় কাজীর বাড়িতে বিয়ে পড়ানোর সময় অভিযান চালান সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ সাদিকুর রহমান।
সাজাপ্রাপ্তরা হল চুয়াডাঙ্গা পৌর শহরের আরমপাড়ার মৃত দাউদ হোসেনের ছেলে ভুয়া কাজী একাধিক বাল্য বিবাহ পড়ানোর দায়েরকৃত মামলার আসামি নাজমুল হক হীরা (৫৮) ও কনের দুলাভাই চুয়াডাঙ্গা শহরতলি আলুকদিয়া খেজুরবাগান পাড়ার মৃত হবি মিয়ার ছেলে ফরজ আলী (৩০)। এ ছাড়া বাল্য বিয়ে করতে যাওয়া অপ্রাপ্তবয়স্ক বরকেও (১৫) থানা হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। এ সময় বিয়েতে আসা বর ও কনের আত্মীয়স্বজন পালিয়ে যায়।
পরে ২০১৭ সালের বাল্য বিবাহ নিধন আইনের ধারায় কাজীকে দেড় মাস এবং ওই কনের দুলাভাইকে এক মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
পরে বাল্য বিয়ে থেকে রক্ষা পাওয়া ওই স্কুলছাত্রীকে তার পরিবারের জিম্মায় দিয়ে দেয় পুলিশ। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আটক ওই বরের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।