খাদ্যমন্ত্রী সাধনচন্দ্র মজুমদার বলেছেন, ভারতে অনুপ্রবেশ করে গরু আনতে গিয়ে গুলি খেয়ে কেউ নিহত হলে সরকার কোনো দায়িত্ব নেবে না। গতকাল শনিবার দুপুরে রাজশাহীর পবা উপজেলার দামকুড়াহাট উচ্চ বিদ্যালয়ে হীরকজয়ন্তী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
গত ২২ জানুয়ারি খাদ্যমন্ত্রীর নির্বাচনী এলাকা নওগাঁর পোরশা উপজেলার সীমান্তে বিএসএফের (ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী) গুলিতে তিন বাংলাদেশি নিহত হন। তাদের মধ্যে দুজনের লাশ নিয়ে গেছে বিএসএফ। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে খাদ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘আসলে আমাদের চরিত্র ভালো না হলে পরের দোষ দিয়ে লাভ নেই। আমরা গরুর বিট খুলতে দেব না। এজন্য আমাদের উপজেলা ও জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটি এবং বিজিবির রেজুলেশন করা হয়েছে। এরপরও কেউ যদি জোর করে কাঁটাতারের বেড়া কেটে গরু আনতে গিয়ে গুলি খেয়ে মারা যায় তার দায়দায়িত্ব বাংলাদেশ সরকার নেবে না।’ তবে ওইদিন নিহত দুই বাংলাদেশির মরদেহ ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাধনচন্দ্র মজুমদার বলেন, ‘ফেইসবুক ও ইউটিউবের কারণে যুবকদের নৈতিক অবক্ষয় ঘটছে। তাই এগুলো ব্যবহারের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের সতর্ক থাকতে হবে। অভিভাবকদেরও এ ব্যাপারে নজরদারি থাকতে হবে।’
হীরকজয়ন্তী অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আয়েন উদ্দিন, রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোকবুল হোসেন, পবা উপজেলা চেয়ারম্যান মনসুর রহমান প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের সাবেক অতিরিক্ত মহাব্যবস্থাপক আবদুল লতিফ। স্বাগত বক্তব্য দেন স্কুলটির প্রধান শিক্ষক ফেরদৌস আলী।