সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ধন্যবাদ

প্রস্তাব আলোচনা আধুনিক বাংলাদেশ বিশ্বের বিস্ময়

সংসদে সরকারি দলের সদস্যরা বলেছেন, শত বাধা আর ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে শেখ হাসিনার আত্মপ্রত্যয়ী নেতৃত্বে জনকল্যাণমুখী আধুনিক বাংলাদেশ বর্তমান বিশ্বের বিস্ময়। রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে গতকাল সোমবার এ কথা বলেন তারা।

গত ৯ জানুয়ারি একাদশ সংসদের ষষ্ঠ ও এ বছরের প্রথম অধিবেশনের শুরুর দিন সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সংসদে ভাষণ দেন। একই দিন

চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাব উত্থাপন করলে সরকারি দলের সদস্য আ স ম ফিরোজ তা সমর্থন করেন।

রাষ্ট্রপতির ভাষণে আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর গতকাল আলোচনায় অংশ নেন সরকারি দলের মো. আবছারুল আমীন, নেছা আহমেদ, আবু জাহির, মো. মাজাহারুল হক প্রধান, সেলিম আলতাফ জর্জ, আনোয়রুল আবদীন আনার, আহাসানুল ইসলাম টিটু, মো. মোজ্জাফফর হোসেন, বেগম জাকিয়া পারভিন, বেগম ফেরদৌসী ইসলাম, জাতীয় পার্টির বেগম নাজমা আক্তার।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে যোগ্য উত্তরসূরি উল্লেখ করে আফছারুল আমীন বলেন, সব বাধা ও ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে তার আত্মপ্রত্যয়ী নেতৃত্বের কারণে জনকল্যাণমুখী আধুনিক বাংলাদেশ বর্তমান বিশ্বের বিস্ময়। ২০৪১ সালের মধ্যে দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত বাংলাদেশ গড়তে ভিশন ২০২১ ও ২০৪১ প্রণয়নের কৃতিত্ব প্রধানমন্ত্রীর।

তিনি আরও বলেন, সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এমডিজি) অর্জনে সরকার অনেক সফলতা অর্জন করেছে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ৮২ শতাংশ সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আর অষ্টম পঞ্চম বার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ চলছে।

আলোচনায় অংশ নিয়ে সরকারি দলের অন্য সদস্যরা বলেন, গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা, আইনের শাসন ও অব্যাহত আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সকল রাজনৈতিক দল, শ্রেণি ও পেশা নির্বিশেষে সবাই আজ একতাবদ্ধ। সুশাসন ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক রূপায়ণ এবং সমাজের সব স্তরে জনগণের সর্বাত্মক অংশগ্রহণের মাধ্যমে এ বছর আমরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং ২০২১ সালে মধ্য-আয়ের দেশ হিসেবে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করব। বাসস।