সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে প্রবেশপত্র ও ফরম পূরণের টাকা নিয়ে পালিয়ে যাওয়ায় ১৩ শিক্ষার্থীর দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারার ঘটনায় মাদ্রাসা সুপারকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
উপজলো নির্বাহী কর্মকর্তা সোনিয়া সুলতানা মাদ্রাসা সুপার আবদুল মুকিতকে বহিষ্কারাদেশ দিয়ে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার ‘ফরম ফিলাপের টাকা নিয়ে পালিয়েছেন মাদ্রাসা সুপার, দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিতে পারল না ১৩ শিক্ষার্থী’ শিরোনামে দেশ রূপান্তরে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়।
এরপর গতকাল দুপরে ঘটনার বিষয়ে তদন্ত করতে সিদ্দিকে আকবর (রা.) লতিফিয়া দাখিল মাদ্রাসা পরিদর্শন করে মাদ্রাসা সুপারকে বহিষ্কার করেন এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন উপজেলা মাধ্যমিক কর্মকর্তা মেহের উল্লাহ ও তদন্ত দলের প্রতিনিধিরা।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, শিক্ষার্থীদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ইতিমধ্যে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। যেহেতু প্রবেশপত্র ও রেজিস্ট্রেশন কার্ডের বিষয়টি সুপারের দায়িত্ব ছিল এবং তার কোনো খোঁজ না পাওয়ায় তাকে বহিষ্কার করার আদেশ দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আর যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রসঙ্গত, দোয়ারাবাজার উপজেলার দোহালিয়া ইউনিয়নের প্রতাপপুর গ্রামের সিদ্দিকে আকবর (রা.) লতিফিয়া দাখিল মাদ্রাসা সুপার শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণের টাকা নিয়ে পালিয়ে যাওয়ায় দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি ১৩ শিক্ষার্থী।
পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারায় বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা প্রতিষ্ঠানের দরজায় তালা ঝুলিয়ে দেয়। এদিকে পরীক্ষা শুরুর আগে থেকেই পলাতক রয়েছেন ভারপ্রাপ্ত মাদ্রাসা সুপার কাজী আবদুল মুকিত।