‘বন্দুকযুদ্ধে’ রোহিঙ্গা যুবকসহ নিহত ২

কুমিল্লার বুড়িচং ও কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় কথিত বন্দুকযুদ্ধে এক রোহিঙ্গা যুবকসহ দুজন নিহত হয়েছে।

কুমিল্লার নিজস্ব প্রতিবেদক জানান, নিহত মাজহারুল ইসলাম (২৫) দেবিদ্বার উপজেলার মাশিকাড়া গ্রামের প্রয়াত মঈনউদ্দিনের ছেলে। পুলিশ বলছে, তার বিরুদ্ধে ডাকাতিসহ বিভিন্ন অভিযাগে পাঁচটি মামলা রয়েছে। গত রবিবার রাত

পৌনে ১টার দিকে কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের বুড়িচং উপজেলার পশ্চিমসিং এলাকায় বন্দুকযুদ্ধে সে মারা যায়। এ সময় আহত হন থানার ওসি মোজাম্মেল হক, এসআই নন্দন চন্দ্র সরকার, এএসআই জহিরুল ইসলাম ও তিন কনস্টেবল। ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দেশীয় অস্ত্রসহ ডাকাতির বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। ওসি মোজাম্মেল জানান, কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের পশ্চিমসিংহ এলাকায় একটি দল ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছেÑ এমন গোপন খবরে তিনি ও ডিবির পরিদর্শক ইকতিয়ার উদ্দিনের নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয় ডাকাতরা ইট-পাটকেল ও গুলি ছোড়ে। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। একপর্যায়ে মাজহারুল গুলিবিব্ধ হয় এবং অন্য ডাকাতরা পালিয়ে যায়। তাকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

কক্সবাজার প্রতিনিধি জানান, নিহত নুরুল আমিন (৩০) টেকনাফ উপজেলার লেদা নুরালীপাড়ার প্রয়াত মকতুল হোসেনের ছেলে। র‌্যাব বলছে, নুরুল শীর্ষ রোহিঙ্গা ডাকাত ছিল। গতকাল রাত সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের পশ্চিম লেদা নুরালীপাড়া পাহাড়ে বন্দুকযুদ্ধে সে মারা যায়। ঘটনাস্থল থেকে একটি থ্রি-কোয়ার্টার গান, একটি ওয়ান শুটার গান, চারটি কার্তুজ, তিনটি খালি খোসা, একটি মোবাইল, মিয়ানমারের ১১টি এমপিটি সিমকার্ড ও একটি দেশীয় সিম উদ্ধার করা হয়েছে। র‌্যাব-১৫-এর টেকনাফ ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার লে. মির্জা শাহেদ মাহতাব জানান, গোপন সংবাদে তারা জানতে পারেন, ছয়-সাত অস্ত্রধারী ডাকাত দল নুরালীপাড়া পাহাড়ে অবস্থান করছে। এ তথ্যে সেখানে অভিযান চালায় র‌্যাব। র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতরা গুলিবর্ষণ করলে র‌্যাবের ল্যান্স নায়েক আজহারুল ইসলাম ও সিপাহি সোহেল আহত হন। এরপর র‌্যাব সদস্যরাও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি শুরু করলে ডাকাতরা পালিয়ে যায়। পরে গুলিবিদ্ধ নুরুলকে টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।