ফুল নয়, তবু গোলাপেই ভালোবাসা

ভালোবাসা প্রকাশ করার আছে নানা ভাষা। কেউ মুখে বলে, কেউবা জানায় ফুল হাতে। ফুলের কথাই যদি বলা হয়, সেখানে শুরুতেই আসে লাল গোলাপের নাম। প্রেম ও সৌন্দর্যের প্রকাশও করা হয় লাল গোলাপ হাতেই। বছর ঘুরে ভালোবাসা দিবস এসেছে আবারও। এ বছরও লাল গোলাপের প্রাধান্য শীর্ষে থাকবে তা বলা যায় নিঃসন্দেহে। কাছের মানুষটির জন্য আপনিও হয়তো লাল গোলাপই বেছে নেবেন। তবে এবার যদি ফুল না দিয়ে ফুলের আদলেই কিছু দেওয়া হয় তবে কিন্তু মন্দ হয় না।

‘ভালোবাসি’ বোঝাতে কাছের মানুষকে দিতে পারেন আংটি। আংটির নকশা হতে পারে গোলাপ আকৃতির অথবা আংটিতে বসানো থাকতে পারে একটি ছোট্ট গোলাপ। যে বাক্সে ভরে আংটি দিচ্ছেন সেটিও হতে পারে লাল গোলাপ আকৃতির। গোলাপ আকৃতির সেন্টেড ক্যান্ডেল দিয়ে সাজাতে পারেন ডিনারের টেবিল। ইদানীং দারুণ কিছু সাবান পাওয়া যাচ্ছে যা পুরোটাই গোলাপসদৃশ। এর প্রতিটি পাপড়িই ব্যবহার করা যায়। ভালোবাসাপূর্ণ জীবনে অনেক গল্প জমে। সেই গল্পগুলো তোলা থাকে ছবিতে। জমানো সেই ছবিগুলো দিয়েই বানিয়ে ফেলতে পারেন স্ক্র্যাপবুক। স্ক্র্যাপবুকের ওপরে অথবা ভেতরে বিভিন্ন পাতায় সাজিয়ে দিতে পারেন গোলাপ। নিজের কাছে জমানো যদি আপন মানুষের দেওয়া কোনো গোলাপ রয়ে যায় তবে সেটিও কিন্তু স্ক্র্যাপবুকের পাতায় জুড়ে দেওয়া যায়। প্রিয় মানুষকে কতটা ভালোবাসেন সেটা বোঝাতে আজকাল নানা ধরনের মেসেজ বক্স পাওয়া যায়। সেই বক্সটি বানাতে পারেন গোলাপ আকৃতিতে। অথবা বক্সের গায়ে জুড়ে দিতে পারেন গোলাপের পছন্দনীয় কোনো ফর্ম । চাবির রিং বানিয়ে তাতে লিখে দিতে পারেন মনের কথা। চকলেটও কিন্তু মন্দ নয়। কাচের ডোমের ভেতরে টকটকে লাল গোলাপ শোপিসও পছন্দের তালিকায় রাখতে পারেন। টেবিল লাইট অথবা রোজ ফেইরি লাইটও উপহার হিসেবে মন্দ নয়। উপহার হিসেবে আকর্ষণীয় হতে পারে মগ। পুরো মগজুড়ে গোলাপ প্রিন্ট থাকতে পারে। বানানো যেতে পারে ওয়াল ম্যাটও। নিজের নাম আর ছবি দিয়ে কাস্টমাইজ করে নোটবুকও বানানো যাচ্ছে এখন। সেখানেও প্রিয়জনকে চমকে দিতে প্রতি পৃষ্ঠায় তার নামের সঙ্গে ছবি আর রোজ থিমড ফ্লোরাল প্রিন্ট সাজিয়ে দিতে পারেন। ভালোবাসার সুন্দর মুহূর্ত উদযাপনে বানিয়ে নিতে পারেন রোজ থিমের ফ্লোরাল কেক।