৮ম শ্রেণির ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে সহযোগীসহ গ্রেপ্তার ৩

৮ম শ্রেণির ছাত্রীকে খাতা-কলম কিনে দেওয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে কুষ্টিয়া শহরের একটি বাড়িতে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগে স্বাধীন (৪৫) এবং সহযোগিতার অভিযোগে ওই বাড়ির বাসিন্দা নুরুল ইসলাম (৫৫) ও তার স্ত্রী বেদেনা খাতুন (৪৫) কে গ্রেপ্তার করেছে কুষ্টিয়া মডেল থানা-পুলিশ।

অভিযুক্ত স্বাধীন সম্পর্কে ওই ছাত্রীর চাচা এবং সদর উপজেলার লাহিনীপাড়া গ্রামের আবদুল কুদ্দুসের ছেলে।

এ ঘটনায় ওই ছাত্রী নিজে বাদী হয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ আইনে তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

ভুক্তভোগী ও ছাত্রীর মেডিকেল চেকআপ সম্পন্ন হয়েছে বলে নিশ্চিত করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. তাপস কুমার সরকার জানান, ওই ছাত্রীর প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, রবিবার সকাল সাড়ে ৯টায় কুষ্টিয়া শহরতলির বাড়ি থেকে অন্যান্য দিনের মতো যথারীতি স্কুলে যাওয়ার পথে পূর্ব পরিচিত সম্পর্কে চাচা স্বাধীন ওই ছাত্রীকে খাতা-কলম কিনে দেওয়ার কথা বলে শহরের পূর্ব থানাপাড়াস্থ কুতুব উদ্দিন আহম্মেদ সড়কের ডিম বিক্রেতা নুরুল ইসলামের বাড়িতে বিশেষ কাজ আছে বলে প্রবেশ করে এবং ওই বাড়ির একটি কক্ষে প্রবেশ করার পর দরজার বাইরে থেকে আটকে দেওয়া হয়। এ সময় স্বাধীন জোড় পূর্বক ধর্ষণ করে। প্রায় এক ঘণ্টা পর কক্ষের দরজা খুলে দিলে ওই ছাত্রী বাড়ি ফিরে ঘটনার বিবরণ দেয় পরিবারের কাছে।

এ ঘটনার সঙ্গে সহযোগিতার অভিযোগ এনে ওই বাড়ির বাসিন্দা নুরুল ইসলাম এবং তার স্ত্রী বেদেনা খাতুনকেও অভিযুক্ত করা হয়।

কুষ্টিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ গোলাম মোস্তফা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, রবিবার বেলা সাড়ে ১০টার দিকে শহরের একটি বাড়িতে স্কুলছাত্রীকে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলায় সহযোগীসহ স্বাধীন, নুরুল ইসলাম ও বেদেনা ইসলাম নামে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

সোমবার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক রেজাউল করিম শুনানি শেষে আসামিদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণের আদেশ দেন।