আইপিওর অনুমোদন পেল এক্সপ্রেস ইন্স্যুরেন্স

অভিহিত মূল্যে পুঁজিবাজারে শেয়ার ছেড়ে অর্থ সংগ্রহের অনুমোদন পেল এক্সপ্রেস ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড। বীমা খাতের এ কোম্পানিটি পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করে সরকারি ট্রেজারি বন্ড ও বিভিন্ন তালিকাভুক্ত কোম্পানিতে বিনিয়োগ করবে। বিভিন্ন ধরনের বাধ্যবাধকতা থেকে কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির আবেদন করে, যা গতকালের কমিশন সভায় অনুমোদন দেওয়া হয়।

এক্সপ্রেস ইন্স্যুরেন্স পুঁজিবাজারে মোট ২ কোটি ৬০ লাখ ৭৯ হাজার শেয়ার ছাড়বে। অভিহিত মূল্য ১০ টাকায় এ শেয়ার ছেড়ে কোম্পানিটি প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে ২৬ কোটি ৭ লাখ ৯০ হাজার টাকা উত্তোলন করবে। উত্তোলিত অর্থ ট্রেজারি বন্ড ও অন্যান্য ক্ষেত্রে বিনিয়োগ ও আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করবে। তবে আইপিওর মাধ্যমে উত্তোলিত মূলধনের ন্যূনতম ২০ শতাংশ অর্থ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের শর্ত আরোপ করেছে এসইসি। এ ক্ষেত্রে ‘বীমা (নন-লাইফ বীমা কোম্পানির সম্পদ বিনিয়োগ ও সংরক্ষণ) প্রবিধানমালা, ২০১৯-এর বিধানাবলি পরিপালন সাপেক্ষে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে হবে এক্সপ্রেস ইন্স্যুরেন্সকে। এছাড়া এ কোম্পানির আইপিও অনুমোদনের পরিশোধিত মূলধনের বাধ্যবাধকতা সংক্রান্ত বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (পাবলিক ইস্যু) বিধিমালা, ২০১৫ এর ৩(৩)(সি) বিধান থেকে অব্যাহতি দিয়েছে এসইসি। এক্সপ্রেস ইন্স্যুরেন্সের ২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী, শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (পুনঃমূল্যায়ন সঞ্চিতিসহ) ১৮ টাকা ৭২ পয়সা ও বিগত পাঁচ বছরের ভারিত গড় হারে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হচ্ছে ১ টাকা ৪২ পয়সা। এ কোম্পানির সাধারণ শেয়ার ক্রয়ে ইচ্ছুক প্রত্যেক যোগ্য বিনিয়োগকারীকে ইলেকট্রনিক সাবস্ক্রিপশন সিস্টেম (ইএসএস) শুরুর দিন থেকে পরবর্তী পঞ্চম কার্যদিবস শেষে তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজে বাজারমূল্যে ন্যূনতম ১ কোটি টাকা বিনিয়োগ থাকতে হবে।