ওরসে যাওয়ার পথে নৌকাডুবি ৩ জনের মৃত্যু, নিখোঁজ ১

কক্সবাজারের কুতুবদিয়া দরবার শরিফের ওরসে যাওয়ার পথে আলাদা দুটি নৌকাডুবির ঘটনায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছে একজন। গতকাল বুধবার সকালে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার কাথারিয়া চুনতি বাজার ও খানখানাবাদের কদমরসুল এলাকায় এসব দুর্ঘটনা ঘটে।

মৃতরা হলেন কাথারিয়া দক্ষিণ বাগমারা এলাকার প্রয়াত রওশনাজ্জামানের ছেলে মো. আক্কাস (২৮), চুনতি বাজার এলাকার আমান উল্লাহর ছেলে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র মো. মিনহাজ (৯), খানখানাবাদের রায়ছটা গ্রামের প্রয়াত মোহাম্মদ ইদ্রিসের ছেলে পান ব্যবসায়ী আবদুল মালেক (৫২)। নিখোঁজ যাত্রীর নাম মোহাম্মদ জালাল (৫৫)। তিনি খানখানাবাদের কদমরসুল এলাকার শাহাব উদ্দিনের ছেলে।

কাথারিয়ার ঘটনায় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বুধবার সকাল ৯টার দিকে একটি মাছ ধরার নৌকায় করে কুতুবদিয়া শাহ আবদুল মালেকের দরবার শরিফের ওরসে যাচ্ছিল দেড় শতাধিক যাত্রী। স্থানীয় চুনতি বাজার থেকে ছেড়ে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর জলকদর খালের বেদলীয় টেক নামক স্থানে মোড় ঘুরতে উল্টে যায় নৌকাটি। এ সময় যাত্রীদের চিৎকার শুনে এগিয়ে আসেন স্থানীয় জেলেরা। একপর্যায়ে সেখানে হাজির হয় ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ঘটনাস্থল থেকে শিশু মিনহাজের লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া ঘটনাস্থল থেকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় মো. আক্কাসকে উদ্ধার করে বাঁশখালী হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানকার চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

খানখানাবাদের ঘটনায় স্থানীয় চেয়ারম্যান মোহাম্মদ বদরুদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘খানখানাবাদ থেকে একটি মাছ ধরার নৌকা করে কুতুবদিয়া দরবার শরিফে যাচ্ছিল প্রায় অর্ধশত যাত্রী। কিছুদূর যাওয়ার পর নৌকাটি ডুবে যাওয়ার খবর পাই। এ ঘটনায় দুজন নিখোঁজ ও বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাই। এর মধ্যে আবদুল মালেক নামে একজনের লাশ পাওয়া গেলেও মোহাম্মদ জালাল নিখোঁজ রয়েছেন।’

বাঁশখালী থানার ওসি রেজাউল করিম মজুমদার জানান, নৌকাডুবির খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। নিখোঁজ ব্যক্তিকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।