উন্নয়নের রূপকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

রাজনীতি ও অর্থনীতির মধ্যে কে বড় কে ছোট, কে কার দ্বারা কতখানি প্রভাবিত, উদ্বুদ্ধ কিংবা পরিচালিত হয় তা আজও বিশ্বব্যাপী কোথাও খোলাসা করা সম্ভব হয়নি। বরং দেখা যাচ্ছে অর্থলোভী ব্যবসায়ীরা পুঁজিবাদী  রাজনীতিকের ওপর টেক্কা দিতে সফল হচ্ছে। শুধু বড় বড় গণতান্ত্রিক দেশেই শুধু নয়, ইদানীং উন্নয়নশীল দেশসমূহেও ধুরন্ধর ব্যবসায়ীর অর্থ লোপাটের পৃষ্ঠপোষক হচ্ছেন রাজনীতিবিদরা। চীন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার রাজনৈতিক বা কূটনৈতিক স্বার্থ উদ্ধারের নামে বাণিজ্যযুদ্ধকে উপায় ও উপলক্ষ সাব্যস্ত করা হচ্ছে। দেখা যাচ্ছে কোনো কোনো বড় অর্থনীতিতে ধনীর রাজনীতি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে আরও দরিদ্রবান্ধব হতে বাধ্য করছে। কেননা এ যাবৎ যুগে যুগে স্থান, পাত্র ও প্রক্রিয়াভেদে অর্থনীতি ও রাজনীতি অধিকাংশ সময় অনিবার্যভাবেই সমতালে ও সমভাবনায় এগিয়ে চলছে। কখনো সখনো মনে হতে পারে বড্ড পরস্পর-প্রযুক্ত এরা। যেন দুজনে দুজনার। যদিও অনেক সময় এটাও দেখা গিয়েছে, রাজনীতি অর্থনীতিকে শাসিয়েছে, নিয়ন্ত্রণ করেছে; আবার অর্থনীতি রাজনীতিকে অবজ্ঞার অবয়বে নিয়ে যেতে চেয়েছে বা পেরেছে।  গত শতকে রাজনৈতিক অর্থনীতির ধারণা বেশ ব্যাপ্তিলাভ করে। এ কথা ঠিক, বহমান বর্তমান বিশ্বে, ক্রমশ, অর্থনীতিই রাজনীতিকে নিয়ন্ত্রণের পথে নিয়ে যাচ্ছে। কেননা মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাপন থেকে শুরু করে, সব পর্যায়ে শিক্ষা-স্বাস্থ্য-বিনোদন, অন্ন-বস্ত্র-বাসস্থান সব কিছুতেই নীতিনির্ধারণে অর্থ আজ নিয়ামক কিংবা প্রভাবকের ভূমিকায়। রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত হয় আর্থিক প্রভাবের ও সক্ষম-সম্ভাবনার নিরিখে। রাজনৈতিক নেতৃত্ব নীতিনির্ধারণ করে অর্থনৈতিক জীবনযাপনকে আয় উপার্জন ব্যয় বরাদ্দকে  জবাবদিহির আওতায় এনে সুশৃঙ্খল, সুশোভন, সুবিন্যস্ত করবে এটাই এই কিছুদিন আগে পর্যন্ত সাব্যস্ত ছিল। কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্রেও নীতিবান ন্যায়নিষ্ঠবানের হাতে অর্থনীতি তথা  ভোগ ভাগবাটোয়ারার দায়দায়িত্ব অর্পণের কথা বলা হয়েছে।

 কিন্তু নীতিনির্ধারক যদি ভক্ষক হয়ে নিজেই অর্থনৈতিক টানাপড়েন সৃষ্টির কারণ হয়, তখন আমজনতার অর্থনৈতিক জীবনযাপন পোষিত (facilitated, supported) হওয়ার পরিবর্তে দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। নীতিনির্ধারক নেতৃত্ব যদি নিজস্ব তাগিদে ও প্রয়োজনে নিজস্ব উপায়ে সম্পদ ও স্বার্থ সংগ্রহে আত্মসাতে ব্যাপৃত তখন রাজনৈতিক নেতৃত্বের এখতিয়ার ও ক্ষমতা খর্ব হয়। আইনসভায় নীতিনির্ধারক বিধিবিধান তৈরি করবেন সবার জন্য প্রযোজ্য করে, নিরপেক্ষভাবে, দূরদর্শী অবয়বে। কিন্তু সেই আইন প্রয়োগে নীতিনির্ধারক নিজেই যদি নিজেদের স্বার্থ অধিকমাত্রায় দেখতে থাকেন তাদের  দলীয় দৃষ্টিভঙ্গির কারণে, প্রতিপক্ষরূপী  বিরুদ্ধবাদীদের  বঞ্চিত করতে স্বেচ্ছাচারী অবস্থান গ্রহণ করেন তখন ঐ আইনের প্রয়োগে নিরপেক্ষতা নিয়ে সংশয় সন্দেহ তৈরি হয়। আস্থার অভাব দেখা দেয়। অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ততার অবয়বে, নৈতিকতার অবক্ষয়জনিত পরিবেশে রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি আমজনতার আগ্রহ নেতিবাচক মনোভাবে চলে যেতে পারে ও সর্বোপরি সবাই রাজনৈতিক ব্যবস্থার প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলতে পারে। অথচ যে আস্থার সরোবরে গণতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক মূল্যবোধের বিকাশ ও টেকসই হওয়া নির্ভরশীল।

 দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে উন্নয়ন ভাবনা ও কর্মসূচি পরিপালিত হবে দলমত নিরপেক্ষভাবে, কারও প্রতি অনুরাগ কিংবা বিরাগের বশবর্র্তী হয়ে রাষ্ট্রীয় সম্পদ সুযোগ-সুবিধা অধিকার আদান-প্রদান, নীতি নিয়মকানুন ও আইনশৃঙ্খলার বিধানাবলি বলবৎ, প্রয়োগ ও বাস্তবায়নযোগ্য হবে না এটাই সব নাগরিকের সংবিধান স্বীকৃত মৌলিক অধিকার, সাংবিধানিক সত্য ও প্রথা। কিন্তু যদি দেখা যায় ক্ষমতাসীন নীতিনির্ধারক তা শুধু নিজের, নিজের এলাকায়, গোত্রে, দলে ও কোটারির মধ্যে নাগরিক অধিকারের সব বরাদ্দ বিভাজন সীমিত করে ফেলেন এবং বিরুদ্ধবাদীদের বঞ্চিত করায় স্বেচ্ছাচারিতায় মেতে ওঠেন তাহলে সুষম অর্থনৈতিক উন্নয়নের উদ্দেশ্য পূরণ  ব্যর্থ হতে বাধ্য। এখানে, এরূপ পরিবেশে রাজনীতি ও অর্থনীতির মধ্যে, নিয়ন্ত্রক ও নিয়ন্ত্রিতের মধ্যে  দূরত্ব সৃষ্টি হয়।

অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি উৎপাদনে সম্পদে সংসার সমাজসহ নীতিনির্ধারককে যেমন একটি রূপময়, বেগবান, ঐশ্বর্যম-িত ও আনন্দঘন সক্ষমতা নির্মাণ করবে পাশাপাশি, রাজনৈতিক নীতিনির্ধারকের একগুঁয়েমি তথা ভ্রান্ত পদক্ষেপের দ্বারা অর্থনৈতিক উন্নয়নের সম্ভাবনাকে, সমৃদ্ধির সক্ষমতা ও সুযোগকে তেমন প্রশ্নবিদ্ধ-পক্ষপাতযুক্ত করে ফেলে, দুনীতিগ্রস্ত করে ফেলে। রাজনৈতিক কারণে পরস্পরের দোষারোপের দ্বারা এক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার পরিবেশ হয় বিপন্ন এবং এর ফলে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনের সম্ভাবনা শুধু দ্বিধাগ্রস্ত নয়, হয় বাধাপ্রাপ্তও। গণতন্ত্রে অর্থনৈতিক উন্নয়নের রূপকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের অঙ্গীকার থাকে রাজনৈতিক নেতৃত্বের। নির্বাচনের ইশতিহারে অর্থনৈতিক উন্নয়ন কর্মসূচির নানান প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করে রাজনৈতিক দল।  ভোটারকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয় ক্ষমতায় গেলে এ জাতীয় উন্নয়নের বন্যায় ভেসে যাবে দেশ। কিন্তু নেতৃত্ব তা যদি যথাযথ বাস্তবায়ন করতে না পারে তাহলে ব্যর্থতার ও অভিযোগের তীর  নিক্ষিপ্ত হয় খোদ রাজনীতির নেতিবাচক ধারণার দিকেই।

বাংলাদেশের ঊনপঞ্চাশ বছর বয়ঃক্রমকালে ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি নীতিনির্ধারক সরকার নেতৃত্বে এসেছে। প্রত্যেকের কিছু না কিছু অবদানে বাংলাদেশের অর্থনীতি আজ এই পর্যায়ে পৌঁছেছে। দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারীদের সংখ্যা কমছে, দারিদ্র্য বিমোচন হয়েছে বা হচ্ছে। শিশুমৃত্যুর হার কমেছে, মানুষের মাথাপিছু আয়ের পরিস্থিতিতে উন্নতি সাধিত হয়েছে। বাজেটের বপু বেড়েছে, এডিপির আকার বেড়েছে। এখানে স্বভাবত প্রশ্ন এসেছে অর্থনীতির এই উন্নয়নে সরকারসমূহের একক কৃতিত্ব কতখানি। এসব সাফল্যে রাজনৈতিক নেতৃত্বের সৃজনশীলতা, নির্ভরযোগ্যতা, সততা স্বচ্ছতা জবাবদিহির ভূমিকা বেশি না আমজনতার অর্থনীতির স্বয়ংক্রিয় স্বচ্ছ সলিলা শক্তির বলে এটি বেড়েছে। এটাও দেখার বিষয় যে পরিস্থিতি এমন হয়েছে কিনা আমজনতার নিজস্ব উদ্ভাবন প্রয়াসে অর্জিত সাফল্য বরং নীতিনির্ধারকের  নিজেদের দলীয় দৃষ্টিভঙ্গি, ভ্রান্ত সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপের দ্বারা বরং বাঞ্ছিত উন্নয়ন অভিযাত্রা বাধাগ্রস্ত কিংবা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে । নাগরিকের শান্তিপূর্ণ জীবনযাপন প্রয়াসে তাদের কর্ম উন্মাদনা ও প্রেরণায় ক্ষমতালোভী দুর্নীতিদগ্ধ রাজনৈতিক অভিলাষ বাধা সৃষ্টি করেছে কি না কিংবা রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানসমূহ রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহৃত হয়ে নাগরিকের মৌলিক অধিকার ও সেবাপ্রাপ্তি বাধাগ্রস্ত কিংবা বিড়ম্বনাদায়ক  হয়েছে কি না।

সাম্প্রতিক এক গবেষণা হিসেবে দেখা গেছে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশ ও অর্থনীতিতে কর ডিজিপির রেশিও কাক্সিক্ষত সাধারণ মাত্রার (জিডিপির ১৫/১৬ শতাংশ) চেয়ে যথেষ্ট কম। বর্তমানে কর জিডিপি রেশিও ১০/১১ এর মধ্যে ঘোরাফিরা করছে অর্থাৎ জিডিপির ৫/৬ শতাংশ কর আওতার বাইরে বা রাজস্ব অনাহরিত থেকে যাচ্ছে। বলাবাহুল্য প্রতি বছর জাতীয় বাজেটে জিডিপির ৪/৫ ভাগ পরিমাণ অর্থই ঘাটতি হিসেবে প্রাক্কলিত হতে হচ্ছে এবং এ ঘাটতি পরিমাণ অর্থ দেশি-বিদেশি  ঋণ  নিয়েই  মূলত উন্নয়ন বাজেট বাস্তবায়িত হয়। অর্থাৎ দেশে জিডিপির আকার অনুপাতে যথাপরিমাণ ন্যায্য কর রাজস্ব অর্জিত হলে ঘাটতি বাজেট হয় না এবং উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে  বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহে বাধা সৃষ্টি করে ব্যাপক ঋণ গ্রহণ কিংবা নানান শর্তসাপেক্ষে বিদেশের কাছে হাত পাততে হয় না। গভীর অভিনিবেশ সহকারে বিচার বিশ্লেষণের ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায় কেন ন্যায্য কর রাজস্ব আহরিত হয় না বা হচ্ছে না, কারা কর নেটের বাইরে এবং তাদের কর নেটের আনার পথে প্রতিবন্ধকতা ও সমস্যা কোথায়? বিভিন্ন কৌণিক দৃষ্টিতে পরীক্ষা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে দেশ সমাজ ও প্রশাসন কর রাজস্ব সুষমকরণের পথে স্বচ্ছতার ন্যায়ানুগতার, পক্ষপাতহীন পদক্ষেপ নিতে অপারগ হয়েছে বা হচ্ছে। কর প্রদানে আহরণে, এমনকি কর রেয়াত বা অব্যাহতিপ্রাপ্তিতে অন্তর্নিহিত অপারগতা বা দুর্বলতা রয়েছে। সাধারণ ও অসাধারণ করদাতায় অসম বিভক্ত সমাজে অসাধারণ করদাতারা শুধু একদাগে যে কর ফাঁকি দেয় সহস্র সাধারণ করদাতার ওপর তার চাপ পড়ে। বড় করদাতারা নীতিনির্ধারকের প্রশ্রয়ে পার পেয়ে যাওয়ার সুযোগে থাকলে কর প্রদান ও আহরণের সংস্কৃতি সুস্থ ও সাবলীল হতে পারে না। আইন প্রণেতাদের সিংহভাগ অংশ বৃহৎ করদাতা হলে ক্ষমতার বলয়ে বসবাসকারী হিসেবে রেয়াত ও ছাড় গ্রহণের মাধ্যমে ব্যাপক কর রাজস্ব রাষ্ট্রের হাতছাড়া হয়ে যায়। যথাযথ কর রাজস্ব সরকারি কোষাগারে জমা হয় না। অথবা কথাটি এভাবে ঘুরিয়ে বলা যায় নীতিনির্ধারক নেতৃত্বের যে বলিষ্ঠ কমিটমেন্ট দরকার কর রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যে, যে এনফোর্সমেন্ট, যে সুষম পরিবেশ, যে পক্ষপাতহীন আচরণ, যে দৃঢ়চিত্ত মনোভাবের প্রয়োজন তা  যেন থেকেও থাকে না। আইন সভায় যে অর্থবিল উত্থাপিত ও গৃহীত হয় সেখানে পরীক্ষা পর্যালোচনা-উত্তর ছাঁটাই প্রস্তাব পেশের কিংবা বিভিন্ন গঠনমূলক মতপ্রকাশ বা প্রস্তাবনা পেশের উপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে বিদ্যমান ব্যবস্থায় যথেষ্ট সীমাবদ্ধতা পরিলক্ষিত হয়। ফলে ফিসকেল মেজারসগুলো যা যা যেভাবে উত্থাপিত হয় তাই গৃহীত হয়। মূল বাজেটে আয় ব্যয়ে প্রাক্কলিত বরাদ্দ যথাযথ অর্জিত হচ্ছে কি না তার জবাবদিহিকরণের সুযোগ সেখানে অনুপস্থিত। সামষ্টিক অর্থনেতিক ব্যবস্থাপনায় রাজস্ব আয় ও ব্যয় উভয় ক্ষেত্রেই স্বচ্ছতা ও জবাবাদিহি নিশ্চিতকরণের অনিবার্যতা অনস্বীকার্য। কর রাজস্ব প্রদানের বিপরীতে রাষ্ট্রের কাছ থেকে পুনর্বণ্টন প্রক্রিয়ায় নাগরিক সেবাপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির বিষয়টি সুনিশ্চিতকরণ কর প্রদানে নাগরিকদের দায়িত্বশীল হতে উদ্বুদ্ধকরণের জন্য অপরিহার্য ।  

অতি সম্ভাবনাময় এই অর্থনীতির এই অগ্রযাত্রায় বাধা সৃষ্টির নানান সমস্যা সীমাবদ্ধতাকে নিয়ন্ত্রণ দূরীভূতকরণের দায়িত্ব যে নীতিনির্ধারক নেতৃত্বের তাদের সফলতা ও ব্যর্থতার বিষয়টি এখন বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। পারস্পরিক দোষারোপের অবয়বে অর্থনীতির যে ক্ষয়ক্ষতি সাধন তা কিন্তু কোনো অংশে কম নয়। কোনো ঘটনার কারণ  (পধঁংব) ঘটিয়ে সেই ঘটনার ফলাফলের (বভভবপঃ) ওপর দোষ চাপালেই ক্ষয়ক্ষতির দায়দায়িত্ব নির্ধারণ শেষ হয় না। ঘটনার কারণ ও কার্যকরণও পর্যালোচনাযোগ্য। দলীয় বা কোটারিগত, শ্রেণিগত পক্ষপাতিত্বে অর্থনীতিতে যে ভারসাম্যহীন পরিবেশ সৃষ্টি হয় তা অবশ্যই অনুধাবনীয়। সাম্প্রতিককালে দেখা গিয়েছে জনগণ নিজেদের দিন এনে দিন খাওয়ার টানাপড়েনের অর্থনীতিতে অতিশয় আগ্রহী ও মনোযোগী হতে বাধ্য হয়েছে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে এমনকি ভোট দানে বিরত থেকে। রাজনীতিকে অর্থনীতির প্রতিপক্ষ প্রতিপন্নকরণের পথ এড়াবার স্বার্থে  নীতিনির্ধারকের  নিজেরই দায়িত্বশীল হওয়ার যৌক্তিকতা হারিয়ে যায়নি, যেতে পারে না।

 

লেখক

সাবেক সচিব ও এনবিআরের

সাবেক চেয়ারম্যান

mazid.muhammad@gmail.com