চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচন সামনে রেখে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টির প্রার্থীসহ নয়জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। একইভাবে চসিকের ৫৫টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে ২৭৮ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে ৪১টি ওয়ার্ডের সাধারণ কাউন্সিলর পদে রয়েছেন ২২০ জন ও ১৪টি সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে ৫৮ জন। তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনে গত বৃহস্পতিবার মেয়র পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী রেজাউল করিম মনোনয়নপত্র জমা দেন। মেয়র পদে ক্ষমতাসীন দলের আর কেউ বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা না দিলেও ৫৫টি ওয়ার্ডের ৪৯টিতেই দল সমর্থিত প্রার্থীর বাইরে বেশ কয়েকজন নেতা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এতে মেয়র প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরী অনেকটা নির্ভার থাকলেও ৪৯ ওয়ার্ডে দল সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থীদের জয়ী হওয়া নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এ প্রসঙ্গে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে গতকাল শুক্রবার দুপুরে চসিক নির্বাচনের সমন্বয়ক ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপি দেশ রূপান্তরকে বলেন, দলীয়ভাবে যাদের চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রার্থী করা হয়েছে তাদের জন্য আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা কাজ করবেন এবং ভোট দেবেন। আশা করি যারা দলের সিদ্ধান্তের বাইরে প্রার্থী হয়েছেন,তারা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেবেন। এরপরও কেউ যদি দলের প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেয়, তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আগামী ২৯ মার্চ অনুষ্ঠেয় চসিক নির্বাচনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন আগামী ৮ মার্চ। চট্টগ্রাম আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে দাখিল করা মনোনয়নপত্র বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৫৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৪৯টি ওয়ার্ডেই গড়ে অন্তত চারজন আওয়ামী লীগ নেতা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম রয়েছে ৪টি সাধারণ ওয়ার্ড ও ২টি সংরক্ষিত ওয়ার্ড। এর মধ্যে পূর্ব ষোলশহর ৬ নম্বর ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর এম আশরাফুল আলম, ৩৫ নম্বর বক্সিরহাট ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর হাজি নুরুল হক, ১৮ নম্বর পূর্ব বাকলিয়া ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর হারুন অর রশিদ ও ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর জিয়াউল হক সুমনই আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী। দলের কোনো নেতা তাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে ভোটের মাঠে নেই। ১২ নম্বর (২৭, ৩৭ ও ৩৮ নম্বর ওয়ার্ড) সংরক্ষিত ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর আফরোজা জহুর ও ১৪ নম্বর (৩৯, ৪০ ও ৪১ নম্বর ওয়ার্ড) সংরক্ষিত ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর শাহানুর বেগমই দলীয় সমর্থন পেয়েছেন। দলের কোনো নেতা তাদের প্রতিপক্ষ হননি।
চট্টগ্রাম আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনে মেয়র পদে ৯ জনের এবং ৪১টি সাধারণ ওয়ার্ডে ২২০ ও ১৪টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ৫৮ জনের মনোনয়নপত্র জমা পড়ে বলে জানিয়েছেন চসিক নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান। তিনি জানান, মেয়র পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন আওয়ামী লীগের এম রেজাউল করিম চৌধুরী, বিএনপির ডা. শাহাদাত হোসেন, জাতীয় পার্টির সোলায়মান আলম শেঠ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জান্নাতুল ইসলাম, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের এমএ মতিন, এনপিপির আবুল মনজুর ও ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মুহাম্মদ ওয়াহেদ মুরাদ এবং স্বতন্ত্র মো. তানজির আবেদিন ও খোকন চৌধুরী।
সাধারণ ও সংরক্ষিত মিলিয়ে ৫৫টি ওয়ার্ডে মোট ২৭৮ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে ১ নম্বর সংরক্ষিত ওয়ার্ডে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন চারজন। তারা হলেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী বর্তমান কাউন্সিলর সৈয়দা কাশফিয়া নাহরিন, বিএনপির প্রার্থী রোকসানা বেগম এবং আওয়ামী লীগ নেতা ফেরদৌস বেগম মুন্নী ও মোবাশ্বেরা বেগম। ২ নম্বর সংরক্ষিত ওয়ার্ডে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন চারজন। তারা হলেন বর্তমান কাউন্সিলর আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী জোবাইরা নার্গিস খান, বিএনপির প্রার্থী মোছাম্মৎ শাহেনেওয়াজ চৌধুরী এবং আওয়ামী লীগ নেতা শামসুন নাহার, রোকেয়া বেগম, সিরাজুন নুর বেগম ও অশ্রু চৌধুরী। ৩ নম্বর সংরক্ষিত ওয়ার্ডে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন পাঁচজন। তারা হলেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী জোহরা বেগম, বিএনপির প্রার্থী জিন্নাতুন নেছা জিনু এবং আওয়ামী লীগ নেতা বর্তমান কাউন্সিলর জেসমিন পারভীন জেসি, নাহিদা ইয়াছমিন, নুর তাজ বেগম।
৪ নম্বর সংরক্ষিত ওয়ার্ডে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ছয়জন। তারা হলেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী তছলিমা বেগম (নুরজাহান), বিএনপির প্রার্থী সকিনা বেগম, আওয়ামী লীগ নেতা বর্তমান কাউন্সিলর আবিদা আজাদ, ইসমত আরা জেরিন, নাদিরা সুলতানা ও মোছাম্মৎ আয়শা আক্তার।
৫ নম্বর সংরক্ষিত ওয়ার্ডে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন চারজন। তারা হলেন বর্তমান কাউন্সিলর বিএনপির প্রার্থী মনোয়ারা বেগম মনি এবং বাকিরা হলেন আওয়ামী লীগের নবুয়াত আরা সিদ্দিকা, আঞ্জুমান আরা বেগম ও রেজিয়া বেগম। ৬ নম্বর সংরক্ষিত ওয়ার্ডে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ছয়জন। তারা হলেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী শাহীন আক্তার রোজী, বিএনপির মাহমুদা সুলতানা এবং আওয়ামী লীগের শামীমা নাসরিন, সালেহা বেগম, শাহিদা বেগম পারভীন ও কাজী শাহিনা সুলতানা ডলি। ৭ নম্বর সংরক্ষিত ওয়ার্ডে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন চারজন। তারা হলেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত রুমকি সেনগুপ্ত, বিএনপির পারভীন আকতার চৌধুরী এবং আওয়ামী লীগের বর্তমান কাউন্সিলর আনজুমান আরা বেগম ও চৈতী বসু মল্লিক। ৮ নম্বর সংরক্ষিত ওয়ার্ডে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন পাঁচজন। তারা হলেন বর্তমান কাউন্সিলর আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী নীলু নাগ, বিএনপির আরজুন নাহার মান্না এবং আওয়ামী লীগের জিন্নাত সুলতানা, আলতাজ বেগম বুবলী ও পম্পি দাশ।
৯ নম্বর সংরক্ষিত ওয়ার্ডে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন চারজন। তারা হলেন বর্তমান কাউন্সিলর ফারহানা জাবেদ, বিএনপির খালেদা বোরহান এবং আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী গুলজার বেগম রুবি ও জাহেদা বেগম পপি। ১০ নম্বর সংরক্ষিত ওয়ার্ডে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন চারজন। তারা হলেন বর্তমান কাউন্সিলর বিএনপির প্রার্থী জেসমিনা খানম, আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী হুরে আরা বেগম এবং বিদ্রোহী প্রার্থী রাধা রানী দেবী ও সুপ্তি তলাপাত্র। ১১ নম্বর সংরক্ষিত ওয়ার্ডে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন চারজন। তারা হলেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী জিন্নাত আরা বেগম, বিদ্রোহী প্রার্থী বর্তমান কাউন্সিলর ফেরদৌসি আকবর ও বিবি মরিয়ম এবং বিএনপির কামরুন নাহার লিজা। ১২ নম্বর সংরক্ষিত ওয়ার্ডে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বর্তমান কাউন্সিলর আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আফরোজা জহুর (আফরোজা কালাম) ও বিএনপির শাহিদা খানম। ১৩নং সংরক্ষিত ওয়ার্ডে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন তিনজন। তারা হলেন বর্তমান কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী লুৎফুন্নেছা দোভাষ বেবী, বিদ্রোহী নন্দিতা দাশগুপ্ত ও বিএনপির মনোয়ারা বেগম এবং ১৪নং সংরক্ষিত ওয়ার্ডে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বর্তমান কাউন্সিলর আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী শাহানুর বেগম ও বিএনপির জাহিদা হোসাইন।
৪১টি সাধারণ ওয়ার্ডের মধ্যে ১নং দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ডে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৯ জন। তারা হলেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত গাজী মোহাম্মদ শফিউল আজিম, বিদ্রোহী প্রার্থী বর্তমান কাউন্সিলর তৌফিক আহমদ চৌধুরী, মো. ইলিয়াছ, ইকবাল হোসেন, আহমদ নূর, নিয়াজ মোরশেদ, কাজল নাথ ও হাবিব উল্লাহ বাহার এবং বিএনপির মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম।
২নং জালালাবাদ ওয়ার্ডে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ছয়জন। তারা হলেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত মোহাম্মদ ইব্রাহিম, বিদ্রোহী বর্তমান কাউন্সিলর মা. সাহেদ ইকবাল (বাবু), আবুল কালাম আবু, মোহাম্মদ ইব্রাহিম, গিয়াসউদ্দিন ভূঁইয়া ও বিএনপি এয়াকুব চৌধুরী।
৩নং পাঁচলাইশ ওয়ার্ডে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ১১ জন। তারা হলেন বর্তমান কাউন্সিলর আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী কফিলউদ্দিন খান, বিদ্রোহী প্রার্থী শফিকুল ইসলাম, ইলিয়াছ আহমদ লেদু, আমির হোসেন, আবদুল্লাহ আল মামুন, সেলিমউদ্দিন, আবুল কালাম, জসিমউদ্দিন, মোরশেদ হোসেন ও ইকবাল এবং বিএনপির মো. ইলিয়াছ।
৪নং চান্দগাঁও ওয়ার্ডে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ১২ জন। তারা হলেন বর্তমান কাউন্সিলর আওয়ামী লীগ সমর্থিত সাইফুদ্দিন খালেদ সাইফু, বিদ্রোহী প্রার্থী আনিসুর রহমান, নাজমুল হক, হুমায়ুন কবির, জামাল উদ্দীন, নাছির উদ্দিন, এসরারুর হক, জাহেদ গিয়াস উদ্দীন আহমেদ, ইউসুফ, আমজাদ হোসেন ও সাইফুল্লাহ খান এবং বিএনপির মাহবুবুল আলম।
৫নং মোহরা ওয়ার্ডে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৯ জন। তারা হলেন বর্তমান কাউন্সিলর বিএনপির প্রার্থী মো. আজম, আওয়ামী লীগ সমর্থিত মোহাম্মদ কাজী নুরুল আমিন (মামুন), বিদ্রোহী জানে আলম জিকু, ইব্রাহিম হোসেন, আইয়ুব আলী চৌধুরী, নাজিম উদ্দীন চৌধুরী, খালেদ হোসেন খান, জসিম উদ্দীন ও রাশেদুল ইসলাম।
৬নং পূর্ব ষোলশহর ওয়ার্ডে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বর্তমান কাউন্সিলর আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আশরাফুল আলম ও বিএনপির মুহাম্মদ হাসান লিটন। ৭নং পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৬ জন। তারা হলেন বর্তমান কাউন্সিলর আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মো. মোবারক আলী, বিদ্রোহী প্রার্থী শামীম, এয়াকুব, রিজুয়ান উদ্দীন চৌধুরী, সোহেল মাহমুদ ও বিএনপির ইসকান্দার মির্জা।
৮নং শুলকবহর ওয়ার্ডে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৫ জন। তারা হলেন বর্তমান কাউন্সিলর আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মোরশেদ আলম, বিদ্রোহী প্রার্থী আবুল হাসান সুমন, মোহাম্মদ মহসীন, জমির উদ্দিন ও বিএনপির হাসান চৌধুরী।
৯নং উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ডে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৪ জন। তারা হলেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত নুরুল আবছার মিয়া, বিদ্রোহী প্রার্থী বর্তমান কাউন্সিলর জহুরুল আলম জসিম ও ফজলে আজিম দুলাল এবং বিএনপির আবদুস সাত্তার সেলিম।
১০নং উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৩ জন। তারা হলেন বর্তমান কাউন্সিলর আওয়ামী লীগ সমর্থিত নেছার উদ্দিন আহমেদ, বিদ্রোহী মনোয়ারুল আলম চৌধুরী এবং বিএনপির রফিক উদ্দীন চৌধুরী।
১১নং দক্ষিণ কাট্টলী ওয়ার্ডে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৬ জন। তারা হলেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত ইসমাইল, বিদ্রোহী প্রার্থী বর্তমান কাউন্সিলর মোর্শেদ আকতার চৌধুরী, খন্দকার এনামুল হক, নুরুল হুদা চৌধুরী ও নুরুল ইসলাম এবং বিএনপির সোহারাব হোসেন চৌধুরী। ১২নং সরাইপাড়া ওয়ার্ডে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৫ জন। তারা হলেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত নুরুল আমিন, বিদ্রোহী প্রার্থী বর্তমান কাউন্সিলর সাবের আহম্মেদ, সাইফুল আলম, আসলাম হোসেন ও বিএনপির শামসুল আলম।
১৩নং পাহাড়তলী ওয়ার্ডে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৫ জন। তারা হলেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী ওয়াসিম উদ্দিন চৌধুরী, বিদ্রোহী প্রার্থী বাদশা আলমগীর, মাহামুদুর রহমান ও কাজী অতনু জামান এবং বিএনপির জাহাঙ্গীর আলম। ১৪নং লালখান বাজার ওয়ার্ডে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৭ জন। তারা হলেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত আবুল হাসনাত মো. বেলাল, বিদ্রোহী প্রার্থী বর্তমান কাউন্সিলর আবুল ফজল করিম আহমেদ, আবদুল আলিম স্বপন, দিদারুল আলম মাসুম, তৌহিদ আজিজ, মো. আবদুল কাদের ও বিএনপির আবদুল হালিম (শাহ আলী)।
১৫নং বাগমনিরাম ওয়ার্ডে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৪ জন। তারা হলেন বর্তমান কাউন্সিলর আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, বিদ্রোহী প্রার্থী আলী আকবর ও আরিফুল ইসলাম এবং বিএনপির চৌধুরী সায়েফুদ্দীন রাশেদ সিদ্দিকী। ১৬নং চকবাজার ওয়ার্ডে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন ৬ জন। তারা হলেন বর্তমান কাউন্সিলর আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী সৈয়দ গোলাম হায়দার মিন্টু, বিদ্রোহী প্রার্থী দেলোয়ার হোসাইন, কায়সার আহমদ, সাহেদুল আজম শাকিল ও নূর মোস্তফা টিনু এবং বিএনপির সালাউদ্দীন কাউসার।
১৭নং পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ডে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৪ জন। তারা হলেন বর্তমান কাউন্সিলর ও বিএনপির প্রার্থী এ কে এম আরিফুল ইসলাম (ডিউক), আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মোহাম্মদ শহিদুল আলম, দলের বিদ্রোহী প্রার্থী মাসুদ করিম ও শোয়েব খালেদ। ১৮নং পূর্ব বাকলিয়া ওয়ার্ডে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৩ জন। তারা হলেন বর্তমান কাউন্সিলর আওয়ামী লীগ সমর্থিত হারুন অর রশিদ, বিদ্রোহী প্রার্থী মোহাম্মদ তৈয়ব ও বিএনপির আজিজুল হক মাসুম।
১৯নং দক্ষিণ বাকলিয়া ওয়ার্ডে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৬ জন। তারা হলেন বর্তমান কাউন্সিলর বিএনপির প্রার্থী ইয়াছিন চৌধুরী (আছু), আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মো. নুরুল আলম, বিদ্রোহী প্রার্থী দিদারুল আলম, আবদুল মান্নান, আজিজুর রহমান ও মহিউদ্দিন মাহমুদ রণি। ২০নং দেওয়ান বাজার ওয়ার্ডে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৬ জন। তাদের মধ্যে আছেন বর্তমান কাউন্সিলর আওয়ামী লীগ সমর্থিত চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, দলের বিদ্রোহী প্রার্থী রফিকুল আলম বাপ্পী, মিটল দাশগুপ্ত, লিয়াকত আলী এবং বিএনপির হাফিজুল ইসলাম মজুমদার মিলন।
২১নং জামালখান ওয়ার্ডে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৮ জন। তারা হলেন বর্তমান কাউন্সিলর আওয়ামী লীগ সমর্থিত শৈবাল দাশ সুমন, বিদ্রোহী প্রার্থী আবদুল হান্নান, ফরহাদুল ইসলাম, সুচিত্রা গুহ টুম্পা, আবদুল নাসের, বিজয় কুমার চৌধুরী ও রাজীব দাশ সুজয় এবং বিএনপির আবু মোহাম্মদ মহসীন চৌধুরী। ২২নং এনায়েত বাজার ওয়ার্ডে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৩ জন। তারা হলেন বর্তমান কাউন্সিলর আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মোহাম্মদ সলিম উল্লাহ, বিদ্রোহী সাব্বির চৌধুরী ও বিএনপির আবদুল মালেক।
২৩নং উত্তর পাঠানটুলী ওয়ার্ডে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৬ জন। তারা হলেন বর্তমান কাউন্সিলর আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মোহাম্মদ জাবেদ, বিদ্রোহী প্রার্থী আসিফ খান, মুহাম্মদ রিয়াদ খান, সিরাজুল ইসলাম ও মো. জাহেদ এবং বিএনপির মোহাম্মদ মহসীন। ২৪নং উত্তর আগ্রাবাদ ওয়ার্ডে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৫ জন। তারা হলেন বর্তমান কাউন্সিলর আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী নাজমুল হক, দলের বিদ্রোহী রকিবুল আমিন, রাশেদুল ইসলাম, জাবেদ নজরুল ইসলাম এবং বিএনপির ফরিদুল আলম।
২৫নং রামপুরা ওয়ার্ডে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৩ জন। তারা হলেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আবদুস সবুর লিটন, বিদ্রোহী প্রার্থী বর্তমান কাউন্সিলর এসএম এরশাদ উল্লাহ ও বিএনপির শহীদ মো. চৌধুরী। ২৬নং উত্তর হালিশহর ওয়ার্ডে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৮ জন। তারা হলেন বর্তমান কাউন্সিলর ও বিএনপির প্রার্থী মো. আবুল হাশেম, আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মোহাম্মদ হোসেন, বিদ্রোহী প্রার্থী ইলিয়াছ, নাঈম উদ্দিন, ইমতিয়াজ সবুজ, নাজিমুল ইসলাম মজুমদার, আজিজুর রহমান বাবুল ও মহসীন আলী চৌধুরী।
২৭নং দক্ষিণ আগ্রাবাদ ওয়ার্ডে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৪ জন। তারা হলেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত শেখ জাফরুল হায়দার চৌধুরী, বিদ্রোহী প্রার্থী বর্তমান কাউন্সিলর এইচএম সোহেল, মোহাম্মদ ইসকান্দর মির্জা ও বিএনপির মোহাম্মদ সেকান্দর। ২৮নং পাঠানটুলী ওয়ার্ডে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৬ জন। তারা হলেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত নজরুল ইসলাম বাহাদুর, দলের বিদ্রোহী বর্তমান কাউন্সিলর আবদুল কাদের (মাছ কাদের), এবিএম মোস্তাফা কামাল, মনিরউল্লাহ ও আবদুর রহিম আরসেনী এবং বিএনপির জামালউদ্দিন জসিম।
২৯নং পশ্চিম মাদারবাড়ী ওয়ার্ডে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৪ জন। তারা হলেন বর্তমান কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত গোলাম মোহাম্মদ জোবায়ের, দলের বিদ্রোহী প্রার্থী আজিজ উর রশিদ, সাজ্জাদ হোসেন ও বিএনপির মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন। ৩০নং পূর্ব মাদারবাড়ী ওয়ার্ডে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৪ জন। তারা হলেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আতাউল্লাহ চৌধুরী, বিদ্রোহী প্রার্থী বর্তমান কাউন্সিলর মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী, চৌধুরী জহিরউদ্দিন মোহাম্মদ বাবর ও বিএনপির হাবিবুর রহমান।
৩১নং আলকরণ ওয়ার্ডে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৪ জন। তারা হলেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আবদুস সালাম, দলের বিদ্রোহী প্রার্থী বর্তমান কাউন্সিলর তারেক সোলায়মান সেলিম, হানিফ ভূঁইয়া ও বিএনপির মোহাম্মদ দিদারুর রহমান। ৩২নং আন্দরকিল্লা ওয়ার্ডে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৬ জন। তারা হলেন বর্তমান কাউন্সিলর আওয়ামী লীগ সমর্থিত জহর লাল হাজারী, বিদ্রোহী প্রার্থী সুজিত সরকার, হাবিব উল্লাহ, নোমান লিটন ও জাবেদুল আলম এবং বিএনপির নুর মোহাম্মদ লেদু।
৩৩নং ফিরিঙ্গীবাজার ওয়ার্ডে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৬ জন। তারা হলেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন, বিদ্রোহী প্রার্থী বর্তমান কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, হোসাইনুর রশিদ ও রফিকুল হোসেন বাচ্চু এবং বিএনপির ছাদেকুর রহমান। ৩৪নং পাথরঘাটা ওয়ার্ডে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন ৬ জন। তারা হলেন বর্তমান কাউন্সিলরও বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ ইসমাইল বালি, আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী পুলক খাস্তগীর, দলের বিদ্রোহী প্রার্থী মোহাম্মদ দিদারুল আলম, বিজয় কৃষ্ণ দাশ, অনুপ বিশ্বাস ও ঝুলন দেবনাথ। ৩৫নং বক্সিরহাট ওয়ার্ডে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বর্তমান কাউন্সিলর আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী হাজি নুরুল হক ও বিএনপির তারিক আহমদ।
৩৬নং গোসাইলডেঙ্গা ওয়ার্ডে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৫ জন। তারা হলেন বর্তমান কাউন্সিলর আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, দলে বিদ্রোহী প্রার্থী সাকির, মোর্শেদ আলী ও সাইফুল আলম চৌধুরী এবং বিএনপির মো. হারুন। ৩৭নং উত্তর মধ্যম হালিশহর ওয়ার্ডে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৬ জন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী হোসেন মুরাদ, বিদ্রোহী বর্তমান কাউন্সিলর মোহাম্মদ শফিউল আলম, মোহাম্মদ এনামুল হক ও ইবনে মবিন ফারুক এবং বিএনপির প্রার্থী মো. ওসমান।
৩৮নং দক্ষিণ মধ্যম হালিশহর ওয়ার্ডে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৮ জন। তারা হলেন বর্তমান কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী গোলাম মো. চৌধুরী, দলের বিদ্রোহী আজম উদ্দিন, বদিউর রহমান, হাছান মুন্না, সালাউদ্দিন, হাসান মুরাদ, আবু নাছের এবং বিএনপির হানিফ সওদাগর। ৩৯নং দক্ষিণ হালিশহর ওয়ার্ডে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৩ জন। তারা হলেন বর্তমান কাউন্সিলর আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী জিয়াউল হক সুমন, দলের বিদ্রোহী প্রার্থী হাসান মাহমুদ আনসারী ও বিএনপির সরফরাজ কাদের।
৪০নং উত্তর পতেঙ্গা ওয়ার্ডে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৫ জন। তারা হলেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত আবদুল বারেক, বিদ্রোহী প্রার্থী বর্তমান কাউন্সিলর মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন, ফরিদুল আলম ও জয়নাল আবেদীন চৌধুরী এবং বিএনপির মোহাম্মদ হারুন। ৪১নং দক্ষিণ পতেঙ্গা ওয়ার্ডে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৯ জন। তারা হলেন বর্তমান কাউন্সিলর আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী ছালেহ আহম্মদ চৌধুরী, দলের বিদ্রোহী প্রার্থী ফজল করিম, মঞ্জুর আলম, নুরুল আবছার, আবদুর রহিম, মোহাম্মদ আলমগীর, ওয়াহিদুল আলম চৌধুরী ও মো. রফিক এবং বিএনপির নুরুল আবছার।