রাজধানীর শ্যামলীতে র্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে হানিফ মিয়া (৪৮) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। র্যাব বলছে, গত শনিবার রাতে শ্যামলী কিডনি হাসপাতালের সামনে এ ঘটনা ঘটে। হানিফ ডাকাত দলের সদস্য ছিলেন। এদিন মধ্যরাতে ফেনীর ছাগলনাইয়ায় দুই দল ডাকাতের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে মাহফুজ রহমান সুজন (২৮) নামে এক য্বুক নিহতের খবর দিয়েছে পুলিশ। স্বজনরা বলছেন, সোনাগাজী উপজেলা যুবলীগ কর্মী সুজন তিন দিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন।
র্যাব-২ এর এসপি মহিউদ্দিন ফারুকি গতকাল রবিবার জানান, শনিবার রাতে শ্যামলী কিডনি হাসপাতালের সামনে তল্লাশি চৌকি বসায় র্যাব। রাত ১২টার দিকে একটি সিএনজি থামানো হয়। পরে চালকসহ সবাইকে নামতে বলা হয়। চালকসহ তিনজন নামলেও পেছনের সিটে থাকা হানিফ নামেননি। তাকে নামার জন্য অনুরোধ করা হয়। একপর্যায়ে ফাঁকা গুলি ছুড়ে দৌড় দেন আগে নামা তিনজন। জাতীয় মানসিক হাসপাতালের সীমানা গ্রিল টপকে পালিয়ে যাওয়ার সময় সিএনজিতে থাকা হানিফ র্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। উভয় পক্ষের গোলাগুলিতে তিনি আহত হন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ধারণা করা হচ্ছে, তারা ছিনতাই বা ডাকাত চক্রের সদস্য।
এদিকে ছাগলনাইয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মাহবুবুর রহমান জানান, শনিবার মধ্যরাতে উপজেলার উত্তর আঁধার মানিক গ্রামে দুই দল ডাকাতের মধ্যে গোলাগুলি হচ্ছেÑ এমন সংবাদ পেয়ে পুলিশ সেখানে যায়। তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতরা গুলি ছুড়তে ছুড়তে পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ সোনাগাজী উপজেলার চরকৃষ্ণজয় গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে সুজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি একনলা বন্দুক ও দুটি গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। সুজনের মা জানান, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি জিআর ১২৭/১৮ মামলায় হাজিরা শেষে সুজন নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায় তিনি পরদিন সোনাগাজী মডেল থানায় নিখোঁজ ডায়েরিও করেন।
সুজন দলীয় কর্মী ছিলেন বলে জানিয়েছেন সোনাগাজী উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আজিজুল হক হিরণ। ছাগলনাইয়া থানার ওসি মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে দুটি মামলা করেছে।