বাংলাদেশের বাজারে আসা হুয়াওয়ের সুপার ফ্ল্যাগশিপ মেট ৩০ প্রো ৫ ফুট পানির নিচে পড়ে গেলেও নষ্ট হবে না। দৈনন্দিন ব্যবহারের সময় ফোনের ভেতরে কোনো ধুলাবালিও ঢুকতে পারবে না। হুয়াওয়ে এই মডেলের জন্য বাংলাদেশি ক্রেতাদের থেকে ৯৯ হাজার ৯৯৯ টাকা দাম রাখবে। গত রবিবার থেকে শুরু হয়েছে প্রি-বুকিং। চলবে বুধবার পর্যন্ত। হুয়াওয়ে অনুমোদিত ব্র্যান্ডশপ ছাড়াও অনলাইন শপ দারাজ, পিকাবো এবং গ্যাজেট অ্যান্ড গিয়ারের আউটলেটে প্রি-বুক করা যাবে। প্রি-বুকিংয়ে উপহার হিসেবে মিলছে হুয়াওয়ের প্রিমিয়াম ক্যাটাগরির ফ্রিলেস ও ওয়্যারলেস চার্জার। আর গ্রামীণ ফোনের গ্রাহকদের জন্য রয়েছে ৮ জিবি ফ্রি ডেটা। ফোনটিতে অ্যান্ড্রয়েড ওএস থাকলেও মিলছে না জিএমএস (গুগল মোবাইল সার্ভিসেস) এর সেবা। জিএমএস’র সেবাগুলোর পরিবর্তে ফোনটিতে যুক্ত করা হয়েছে হুয়াওয়ের মোবাইল সার্ভিসেস (এইচএমএস)। ফলে গুগল প্লে স্টোরের বদলে এ ফোনটিতে থাকছে হুয়াওয়ের নিজস্ব অ্যাপ গ্যালারি। বিকল্প সেবা হিসেবে গুগল ড্রাইভ ও ফটোজের পরিবর্তে নিজস্ব মোবাইল ক্লাউড সেবা দিচ্ছে হুয়াওয়ে। হুয়াওয়ের তৈরি ব্রাউজার ব্যবহার করা যাবে গুগল ক্রোমের পরিবর্তে। রয়েছে হুয়াওয়ের নিজস্ব ভিডিও স্ট্রিমিং সুবিধা। ইউটিউব ও জিমেইলের অ্যাপস প্রি-ইনস্টল করা না থাকলেও তৃতীয় পক্ষের বিভিন্ন অ্যাপস সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের স্টোর থেকে অ্যাপসগুলো ডাউনলোড করা যাবে। ফোনে থাকা ব্রাউজার দিয়েও এ সেবাগুলো উপভোগ করা যাবে। ফোনটিতে রয়েছে ৬.৫৩ ইঞ্চির ফুল এইচডি প্লাস এবং ওএলইডি হরিজন ডিসপ্লে। প্রসেসর হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে হুয়াওয়ের সর্বাধুনিক কিরিন ৯৯০ চিপসেট। হাই-পারফরমেন্সের ফাইভজি এ চিপসেটটি ব্যবহারের ফলে লো-ল্যাটেন্সির পাশাপাশি ফোনটি হবে উচ্চগতির। ৮ জিবি র্যামের এ ফোনটিতে রয়েছে ২৫৬ জিবি রম সুবিধা। এছাড়া এক্সটারনাল মেমোরির জন্য ২৫৬ জিবি পর্যন্ত এসডি কার্ড ব্যবহার করা যাবে। ফোনটিতে ব্যবহার করা হয়েছে ৪৫০০ এমএএইচের শক্তিশালী ব্যাটারি। ৪০ ওয়াটের সুপারচার্জ সুবিধা থাকায় দ্রুত চার্জ দেওয়া যাবে।