ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী তাবিথ আউয়াল ও ইশরাক হোসেনের আবেদনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি), নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবসহ আটজনকে হাজির হতে সমন জারি করেছে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল। গত ১ ফেব্রুয়ারির এ নির্বাচনে ‘অনিয়ম ও
কারচুপির’ অভিযোগ তুলে ফল বাতিলের দাবিতে গত সোমবার নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেন উত্তরের মেয়র প্রার্থী তাবিথ। একই আরজি জানিয়ে গতকাল আবেদন করেন দক্ষিণের মেয়র প্রার্থী ইশরাক।
দুটি আবেদন গ্রহণ করে ট্রাইব্যুনালের বিচারক ঢাকার প্রথম যুগ্ম জেলা জজ উৎপল ভট্টাচার্য্য সিইসি কে এম নুরুল হুদা, ইসি সচিব মো. আলমগীরসহ আট বিবাদীকে হাজির হতে সমন জারি করেন। আদালতের সেরেস্তাদার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সমন ফেরত এলো কি এলো না, তা জানতে আগামী ২ এপ্রিল দিন রেখেছেন বিচারক।
দেওয়ানি এই মামলায় সিইসিসহ বিবাদীদের আদালতে হাজির হওয়ার বাধ্যবাধকতা নেই; তারা আইনজীবীর মাধ্যমে মামলায় লড়বেন।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী ইশরাককে পৌনে দুই লাখ ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে মেয়র নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগের প্রার্থী শেখ ফজলে নূর তাপস। প্রায় একই ব্যবধানে তাবিথকে হারিয়ে মেয়র নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগের প্রার্থী আতিকুল ইসলাম। তাপস ও আতিককে নির্বাচিত ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন ৪ ফেব্রুয়ারি গেজেট প্রকাশ করে; ওই গেজেটের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির মেয়র প্রার্থীরা। ধানের শীষের দুই মেয়র প্রার্থী নতুন নির্বাচনের নির্দেশনা চেয়ে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেছেন।
বিএনপি ভোটের দিনই ফল প্রত্যাখ্যান করেছিল। তারা দাবি করে, ইভিএমে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে কারচুপি করে তাদের প্রার্থীদের হারানো হয়েছে। তবে বিএনপির অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে নির্বাচন কমিশন ও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।