রাদিয়াতুল ইসলাম আপনের (২০) সঙ্গে কয়েক মাস আগে ফেসবুকে পরিচয় হয় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের এক তরুণীর। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে গড়ে ওঠে গভীর প্রেমের সম্পর্ক।
আপনের বাসা ঢাকার কাপ্তান বাজার কসাই পট্টি এলাকায়। প্রেমের জেরে সুমির কাছ থেকে কৌশলে আপত্তিকর ছবি আদায় করে নেয় আপন।
এর কিছুদিন পরই শুরু হয় আপনের প্রতারণার ফাঁদ। সুমিকে সেই ছবিগুলো দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করা শুরু করে আপন।
মোটা অংকের টাকা, দামি ফোনসহ নানা কিছু দাবি করতে থাকে। না দিলে আপত্তিকর ছবিগুলো ফেসবুকে পোস্ট করার হুমকি দিতে থাকে।
একপর্যায়ে সুমি অতিষ্ঠ হয়ে বিষয়টি তার পরিবারকে জানালে সুমির বাবা র্যাব ১০ কেরানীগঞ্জ ক্যাম্পে অভিযোগ দেন।
এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ৪ মার্চ সন্ধ্যায় আপনকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার কদমতলী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে র্যাব- ১০ সিপিসি-২ একটি টিম। আপনের বাবার নাম মো. রোকন কসাই।
এ বিষয়ে র্যাব ১০ ডি এ ডি বদিউল আলম বলেন, সুমির বাবার অভিযোগের প্রেক্ষিতে আপনকে গ্রেপ্তারের জন্য র্যাব ১০ সিপিসি ২ কোম্পানি কমান্ডার এএসপি আবুল কালাম আজাদের নেতৃত্বে আমরা অভিযান চালাতে থাকি। গত ৪ মার্চ সন্ধ্যায় আপন কেরানীগঞ্জে তার বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করতে আসলে আমরা তাকে আটক করি।
মূলত মেয়েদের সঙ্গে প্রতারণা করাই ছিল তার কাজ। তার মোবাইল ফোনে একাধিক মেয়েকে ব্ল্যাকমেইল করার প্রমাণ পাওয়া গেছে।
আটকের পরে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় আপনের বিরুদ্ধে সাইবার ক্রাইম আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।