বাস, প্রাইভেটকার অথবা মাইক্রো বাসে উঠলে মোশন সিকনেসে ভোগেন অনেকেই। গতি ও জড়তার কারণে মস্তিষ্কে সমন্বয়হীনতার কারণে বমির সমস্যা হতে পারে। এছাড়া অ্যাসিডিটি, অসুস্থতা বা বাজে গন্ধের কারণেও বমিভাব হতে পারে। যাত্রাপথে বমিভাব থেকে দূরে থাকার কিছু পরামর্শ :
চেষ্টা করুন গাড়ির সামনের দিকে বসতে। কারণ পেছন দিকে বসলে গাড়িকে বেশি গতিশীল মনে হয়।
জানালার পাশে বসে জানালা খুলে দিন। গাড়ির ভেতর বদ্ধভাবের কারণেও বমি হতে পারে। বাইরের বাতাস ভেতরে আসা জরুরি। গাড়ির ভেতরে বেশি সময় না তাকিয়ে বাইরের দিকে দৃষ্টি রাখুন।
যেদিকে গাড়ি চলছে সেদিকে পেছনমুখ করে বসবেন না। মস্তিষ্ক অবস্থান এবং গতির সমতা বুঝতে পারে না বলে বমিভাব হয়।
গাড়িতে উঠলে বমি হবে এমন চিন্তা করা যাবে না। নিজেকে শান্ত রেখে লম্বা শ্বাস নিতে পারেন। গান মনকে অন্যমনস্ক রাখে বলে গান শুনলে অসুস্থ লাগে না।
রাতে ভালোভাবে ঘুমানোর চেষ্টা করুন। পরদিন যাত্রাপথে হালকাভাবে চোখ বন্ধ রাখুন।
খালি পেটে কখনোই ভ্রমণ করা উচিত নয়। তবে ভারী খাবারও খাওয়া যাবে না। বাইরের খাবার না খেয়ে ঘরে বানানো হালকা কিছু সঙ্গে রাখতে পারেন।
বমিভাব বেশি হলে বইপড়া বা মোবাইল ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।
মুখে আদা কুচি রাখুন। বমিভাব দূর করতে আদা খুবই কার্যকর।
খাবার হজমে সমস্যা হলে বমি হতে পারে। এক্ষেত্রে দারুচিনি চিবুতে পারেন।
টক জাতীয় ফল খেলে বমিভাব কমে যায়। লেবু পাতার ঘ্রাণ, কমলালেবুর গন্ধেও বমিভাব দূর হয়।
যাত্রাপথে সঙ্গে রাখুন কয়েকটি লবঙ্গ। খারাপ লাগলেই কয়েকটি লবঙ্গ মুখে পুরে নিন। বমিভাবের সঙ্গে মুখে দুর্গন্ধ থাকলে তাও দূর হবে।