অনার্সে পড়াশোনা করার সময়ই বিয়ে হয়ে যায় খাদিজা আক্তারের। বিয়ের পরও পড়াশোনা চালিযে যান। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় বেশ কয়েকজনের সঙ্গে বন্ধুত্ব হয়ে যায় তার। প্রায়ই তাদের নিয়ে বাসায় ঘরোয়া আয়োজন করতেন খাদিজা। বন্ধুদের জন্য সব খাবার নিজ হাতেই বানাতেন। বন্ধুমহলে খাদিজার খাবারের দারুণ প্রশংসা হতো। পরে স্বামীর উৎসাহেই ২০১৯ সালের এপ্রিল মাসে খাবারের জন্য ‘তহু’স ফুড ফ্যাক্টরি’ নামে ফেসবুক পেজ খোলেন। রান্নার কোর্সও করেন । সেই থেকেই শুরু। পেজে অর্ডার আসা শুরু হলো খাদিজার। আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি ।
খাদিজার পেজে গ্রাহকদের সবচেয়ে পছন্দ নানা স্বাদের হালুয়া। শবেবরাতেই শুধু হালুয়া খেতে হয় এমন ধারা থেকে গ্রাহকের পছন্দকে বের করে আনতে চেয়েছেন তিনি। আপেল বুট, মিষ্টি কুমড়া, পেঁপে, সুজি, বুটের হালুয়াসহ নানা ধরনের হালুয়া আছে তার খাবার তালিকায়। হালুয়ার দাম প্রতি পিস ২০-২৫ টাকা। এ ছাড়া নারকেলের সন্দেশ ও নাড়ু, পায়েস, পুডিং, কাপকেক, পাউন্ড কেক, পুলি পিঠা, তেলের পিঠা, পাটিসাপ্টা, ভাপা পিঠা, দুধপুলি, ডালপুরি, শিঙাড়া, পটেটো নাগেটস, চিকেন নাগেটস, চিকেন বল, চিকেন বিরিয়ানি, বিফ বিরিয়ানি, সবজি খিচুড়ি নানা পদের খাবার পাওয়া যাচ্ছে তার কাছে। খাদিজার পেইজে খাবারের সর্বোচ্চ দাম ৫৫০ টাকা পর্যন্ত। শুরুর দিকে কিছু খাবার নিজেই ডেলিভারি দিয়েছেন। এখন লোক দিয়ে ডেলিভারির কাজ সম্পন্ন করেন। তার চেষ্টা ভেজালের এই ভিড়ে একদম হাতে বানানো স্বাস্থ্যকর খাবার যেন সবাই খেতে পারেন। খাবারে কোনো ধরনের রাসায়নিক উপাদান মেশানো হয় না। গ্রাহক কী ধরনের খাবার চাচ্ছেন, সেটি বুঝেই খাবার বানান খাদিজা।
পেজের লিংক :
https://www.facebook.com/TohusFood/?eid