হাসপাতাল থেকে পালালেন করোনা সন্দেহের রোগী

করোনাভাইরাস আক্রান্ত কি না সেই পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহের খবর পেয়ে রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল থেকে পালিয়ে গেছেন এক প্রবাসী রোগী। বাহরাইন প্রবাসী এই ব্যক্তি জ্বর, সর্দি ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে এই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন।

এ ব্যাপারে হাসপাতাল পরিচালক অধ্যাপক ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়া জানান, গতকাল রবিবার ওই রোগীর বিষয়ে করণীয় নিয়ে চিকিৎসকদের বৈঠকের মধ্যেই তিনি পালিয়ে যান। তিনি ৭ নম্বর ওয়ার্ড থেকে পালিয়ে যান।

ডা. উত্তম কুমার সাংবাদিকদের বলেন, আমরা তার বিষয়টি নিয়ে মিটিং করছিলাম। আমরা ডিজি মহোদয় (স্বাস্থ্য অধিদপ্তর) ও আইইডিসিআরের পরিচালক মহোদয়ের সঙ্গে কথা বলেছি। আইইডিসিআরের ডিরেক্টর তার টিম পাঠাচ্ছিলেন। এরমধ্যে ওই রোগী পালিয়ে গেছে। এখন তাকে পাওয়া যাচ্ছে না।

পরিচালক বলেন, সে যখন বুঝতে পেরেছে, তাকে আমরা আইইডিসিআরে পাঠাব, তখনই সে পালিয়েছে। সঙ্গে তার স্ত্রী ছিলেন।

পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তির করোনা আক্রান্তের সম্ভাবনা নেইউল্লেখ করে পরিচালক বলেন, ওই ব্যক্তি ১৮ জানুয়ারি বাহরাইন থেকে দেশে আসেন। তার সেখানে নভেল করোনাভাইরাস পজিটিভ রোগী পাওয়া গেছে ৬ ফেব্রুয়ারি। সে এখন শ্বাসকষ্টের কথা বলছে। হয়ত নিউমোনিয়ায় ভুগছে।

এর আগে গত ১০ মার্চ করোনাভাইরাস আক্রান্ত কি না পরীক্ষা করতে বলায় সিলেটে একটি বেসরকারি হাসপাতাল থেকে সৌদি আরব প্রবাসী এক নারী পালিয়েছিলেন। তবে পরে খোঁজ নিয়ে সিভিল সার্জন অফিসের লোকজন ওই নারীর বাসায় গিয়ে তাকে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার অনুরোধ করলেও তিনি রাজি হননি।

গতকাল রবিবার করোনাভাইরাসের লক্ষণ রয়েছে সন্দেহে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের বহির্বিভাগ থেকে একজনকে মুগদা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে অধ্যাপক উত্তম কুমার বড়–য়া জানান। তিনি বলেন, আমরা সন্দেহজনকদের পরীক্ষার জন্য আলাদা কাউন্টার করেছি।